আমি অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করে ফিস জমা দিয়ে ফরমটি প্রিন্ট করতে জমা দিতে যাই অফিসে৷ সেখানে আমার ফরম দেখে বলে কই থেকে করছেন? বললাম অনলাইনে। আমাকে বললো ভুল আছে সংশোধন করতে হবে। আমি বললাম কি ভুল? বললো নামের আগে MD দেয়া যাবে না। বললাম আমার এন আইডি তে যা আছে তাই দিয়েছি। উনি বললেন সামনের দোকানে যেয়ে বললেই ঠিক করে দিবে এভাবে জমা নেয়া যাবে না। কথা মতো তাই করলাম। দোকানে যেতেই বললো অফিস থেকে পাঠিয়েছে? বললাম হ্যাঁ। দোকানদান বললো ১৫০০ টাকা লাগবে। দিতে চাইনি৷ কিন্ত অনেক কিছু করেও যখন লাভ হলো না বাধ্য হয়ে ১২০০ টাকা দিলাম। দোকানদান শুধু একটা কলমের খোচা মেরে দিয়ে বললেন এখন যান। অনেক কথা কাটা কাটি করেও লাভ হলো না। পরে ফরম জমা নিলো। কিছু চেঞ্জ করলো না কিচ্ছু না। ওই এক কলমের খোচার দাম ১২০০ টাকা।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।