আমি সৌদি আরব আসার সময় পাসপোর্ট রেনু করতে গিয়েছিলাম বরিশাল নতুল্লাবাদ পাসপোর্ট অফিস সহনগ্ন ফটোকপির দোকানগুলো আছে সেখানে প্রথমে আমি ফটোকপি করলাম তারপরে পাসপোর্ট অফিসে গেলাম আমার ফাইল গুলো দেখে ফেরত দিল আমাকে বল আপনার পেপার ঠিক নেই তাকে বললাম কোন কোন পেপার ঠিক নেই সে আমাকে বলল আপনার চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেট লাগবে কারেন্ট বিল লাগবে আপনার বাসা হোল্ডিং নাম্বার লাগবে এসব আজেবাজে বলে আমাকে তিন ঘন্টা হ্যারেজমেন্ট করল তারপর আমি টেনশনে পড়ে গেলাম তখন চিন্তা করলাম একটু চা খাই চা খাইতে গিয়ে চাওয়ালা বললো ভাই ফটোকপির দোকানে গেলে তো কাজগুলো হয়ে যায় তখন আবার আমি রিটার্ন ফটোকপি দোকানে গিয়ে তাকে বুঝিয়ে বললাম সে বলল ভাই এগুলা কোন ব্যাপার না আপনি আমার হাতে টাকা দেন আমি এখনই করে দিচ্ছি ১৫০০০ টাকা ক্যাশ
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।