প্রথমে অনলাইনে পাসপোর্ট নিবন্ধনের সকল প্রক্রিয়া শেষ করি। এরপর যেদিন আমার ডেট আসে সেদিন যখন অফিসে যাই বিশাল লাইন ছিল। ৩-৪ ঘন্টা অপেক্ষার পর আমার সিরিয়াল আসে। দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমার আবেদন বাতিল করে দেয়। কারন হিসেবে দেখায় যে আমার নিজ জেলা শহরে তো পাসপোর্ট অফিস আছে তাহলে আমি কেন এখানে আবেদন করেছি। উলেখ্য আমি ঢাকায় থাকি এবং এখানেই চাকুরিরত আছি। বর্তমান বাসা বিদ্যুৎ বিল ও গ্যাস বিলের কপিও প্রদান করি। এরপরও আমার আবেদন বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে সেখানকার একজন দালাল (আনসার সদস্য) আমাকে ফলো করে এবং বলে যে এক্সট্রা ৩০০০ টাকা তাকে দিলে সব সমাধান হয়ে যাবে। আমি এরপর ২০০০ এ তার সাথে ডিল করতে বাধ্য হই। পরদিন আমাকে আসতে বলে। আমি যখন পরদিন আসি সেদিনের সিরিয়াল লাগেনি সরাসরি আমার ছবি ও ফিঙ্গার দিয়ে চলে আসি।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।