খতিয়ান এ যার নাম দেওয়া আছে তিনি মৃত এবং তার এক ছেলে ওয়ারিশ রেখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। খতিয়ান এ মালিক এর নামের সাথে তার রেখে যাওয়া ওয়ারিশ এর এনআইডি কার্ডে উল্লেখিত মালিকের নামের ভিন্নতা আছে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একই নামের প্রত্যয়নপত্র নেওয়া হয়েছে, তারপরেও ঘুষ দাবি করেছে । ঘুষ না দিলে দলিলে স্বাক্ষর করবে না এমন কথা বলেছে। পরবর্তীতে আমি ৳১০০০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই। এছাড়াও দলিল এ ছিল ও অন্যান্য স্বাক্ষর এর জন্য ৳৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। এবং দলিল লেখক, ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ের জমি দলিল করার জন্য সাব-কবলা দলিল এর জন্য ৳২০০০০০ লক্ষ টাকায় ক্রয়কৃত ২.৭৫ শতাংশ জমির জন্য সরকারি ফি/চালান এর কথা বলে ৳১৮০০০ টাকা নিয়েছিল। এছাড়াও অন্যান্য ভুয়া সার্ভিস এর কথা বলে অতিরিক্ত ৳৩৫০০ টাকা নেয়।
If u pay process is fast and smooth. Otherwise file gets prolonged.
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।
আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।
আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।