পাসপোর্ট রিনিউ করতে গিয়েছিলাম!! সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ফাইল জমা করতে পারিনি!! পরে ২০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়।। আমার কাছে টাকা নাই বললেও ছাড় পাইনাই।। অবশেষ বিকাশের মাধ্যমে ১৫০০ টাকা বাড়তি দিয়ে; ফাইল জমা করে আসছি।। চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে।।। তাছাড়া আরো কত সরকারি অফিসে মূল ফিস নেওয়ার পরেও বাড়তি টাকা পরিশোধ করে আসতে হয় যার কোন রসিদ পত্র দেওয়া হয়না!! রসিদ উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া একজন মানুষ কেন বাড়তি টাকা পরিশোধ করবেন আমার প্রশ্ন রইল!! অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এই রকম সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি অবশ্যই দেখবেন।। ধন্যবাদ সকল কে.... ঘুষ একটি জাতির জন্য মহামারী।।।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।