আমার পাসপোর্ট করার সময় পাসপোর্ট অফিসের আনসার কে টাকা দেওয়া লাগছে। আমার ডকুমেন্টস এই সমস্যা ওই সমস্যা আজকে হবে না কালকে হবে। আজকে সময় শেষ। এগুলো বলতেছিলাম। তারপর বাহিরে এসে কানের দোকানে বসলাম এবং আমাকে বলতেছিলাম চা দেন। এবং উনার সাথে কথা শেয়ার করলাম। পর্যন্ত উনিও দালাল। উনি পরিচয় করিয়ে দেয় একজন আনসার সদস্যের সাথে। এবং আধা ঘন্টায় আমার পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সাইনটাইন সব দেওয়া শেষ। যে অফিসার কিছুক্ষণ আগে সাইন করতে চাচ্ছিল না। তই একই অফিসার এখন সাইন করলো। এখনো সময় শেষে তালবাহানা করতে ছিল না। তখন আমার অনেক দুই তিনটা বাজে। উত্তরায় হরিনাম সংসদ দালাল। এবং ঊর্ধ্বতরক কর্মকর্তার সাথে জড়িত। কারণ বাহিরে অনেক টঙের দোকান আছে তারাও দালাল। এমনকি যারা পাসপোর্ট এর সময় ছবি তুলে তারাও সাথে সংযুক্
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।