জমি কিনেছিলাম ৮ শতাংশ। যার জমি তার দাগ নাম্বার ভুল ছিল পরে সে মিথ্যা মামলা করে চার শতাংশ নিয়ে নেয় পরে আপোষের মাধ্যমে আমাদেরকে টাকাও দিয়ে দেয় জমির এরপর আমরা চার শতাংশ পাই। সেখানে সরকারের রেকর্ডে ৩.৫০ শতাংশ. বাকি ৫০ পয়েন্ট খাস জমির সাথে মিশে গেছে। ওরা অনেক দৌড়াদৌড়ি হয়রান ির করায় জমি কোনভাবেই রেলস্টেশন করতে দেয়নি তখন. এরপর ২৫ হাজার টাকা সাব রেজিস্টার কে দিয়ে জমি রেজিস্ট্রেশন করায়। সাব রেজিস্টার বলল এক্সিলেন্ট অফিসার ছাড়া 50 পয়েন্ট জমি রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না ম্যাডামের জন্য মিষ্টি কিনতে ২৫ হাজার টাকা দিন।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।