জমি রেজিস্ট্রি বাবদ খরচ হয় নূন্যতম খরচ 1170 টাকা যেখানে সরকার নির্ধারিত ফি বাট ওদের সিন্ডিকেট এবং ওদের কারণে রেজিস্ট্রি করা যায় না রেজিস্ট্রি করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের অযুহা দিয়ে তারা জনগণের কাছ থেকে আরো অর্থ হাতিয়ে নেয় । সেটা হচ্ছে নেত্রকোনার কেন্দুয়া সাব রেজিস্ট্রি অফিস এখানে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে কিছু সিন্ডিকেটের কারণে যদি পুলিশ প্রশাসন তাদের নাকের ডগায় বসে করতেছে কিন্তু তারা কিছুই বলতেছে না কারণ তারা ওদের সাথে সম্পর্কিত সরিষার মধ্যে ভূত তাড়ানোর মত অবস্থা।দালালকে টাকা দেওয়া হয়েছে বেশি যাতে দলিল ওঠায় দেয় কিন্তু দলিলটা উঠায় না দিয়া সে শুধু ঘুরায় আর ঘুরায় এটা সব জায়গায় একই অবস্থা সেখানে অফিসের কর্মকর্তারা হচ্ছে এক নম্বর বিশ্ব চোর ওদের আস্কারা পাইয়া দালালরা আরো বেশি পরি
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।