একটা মাঠপর্চা তোলার জন্য ডিমলা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গেলে অফিসার আমাকে বলেন " একটা খতিয়ান তুললে তো ৭০৯/৮০০ টাকা লাগে। উত্তরে কইলাম ডিসি অফিস থেকে ১৫০ টাকায় তুলে আনছি। তখন তিনি বললেন আপনার মাঠপর্চা নিতে হলে সবমিলিয়ে ৩০০ টাকা দিতে হবে। নির্ধারিত তারিখে যাওয়ার পর তিনি বললেন আপনার মাঠপর্চা ২ পেজে আসছে তাই আরও ৩০০ টাকা দিতে হবে না হলে আমার লজ হবে। পরবর্তীতে ওনার হাতের লেখা দেখে কইলাম লেখা একটু ছোট করলে ১ পেজেই হয়ে যাইতো। যাইহোক শেষপর্যন্ত আরও ১০০ টাকা সহ ৪০০ দিয়ে চলে এসেছি।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।