বিগত বছরের খাজনা বকেয়া ছিল ২০ টাকা কিন্তু সেটা অনলাইনে পেমেন্ট করার সিস্টেম থাকলেও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এপ্রুভাল না পাওয়ায় ক্লিয়ার করা যাচ্ছিলো না। এই ক্লিয়ারেন্স পেতে তারা ২০০০০/- দাবি করে। এই ঘটনা প্রত্যেকের সাথে ঘটছে যারা বকেয়া খাজনা পরিশোধ করতে যাচ্ছেন। ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। আমি একজনের কাছে জমি কিনেছি ২৫ শতাংশ। এবং বিক্রেতা যখন খাজনা পরিশোধ করতে যায় তখন এই সমস্যার সম্মুখীন হন। শেষ পর্যন্ত তারা বিক্রেতার কাছে ১৫০০০/- আদায় করে এবং পরে কর আদায়ের রশিদে দেখা যায় বকেয়া খাজনা ছিল মাত্র ২০/-
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।