আমি এবং আরও একজন মাওনা থেকে ঢাকা যাব তখন একটি মাইক্রোতে আমরা ১০০ টাকা বাড়া দিয়ে উঠি।ঘটনা ক্রমে একজন পথচারী অসতর্কতা বশত গাড়ির সামনে এসে যায়। কিন্তু শরীরে আঘাত লাগেনি ট্রাফিক পুলিশ এটা দেখে ড্রাইভার কে ডাকে গাড়ির কাগজপত্র সব ঠিক ছিল কিন্তু যাত্রী নিছে এটাই নাকি অপরাধ। পরে বলে মামলা করবে কিন্তু আরেকজন পাশ থেকে বললো আপনি কিছু টাকা দেন বিষয়টা মিমাংসা করে ফেলুন। তখন ৩০০ টাকা দেই কিন্তু ১০০০ হাজারের কম মানতে চাইনা অনেক বলে ৪০০ দিয়ে কেটে গেছি আমি শুধু মাত্র ঐ গাড়ির যাত্রী ছিলাম। ড্রাইভারের কাছে টাকা না থাকায় তিনি পা পর্যন্ত ধরছিল তাও মানেনি পরে বাধ্য হয়ে মানবতা দেখিয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হলাম।
কোন সমস্যা নেই কাগজ পাতির, মামলার ভয় দেখিয়ে ৫০০ টাকা নিয়েছে
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করি কাজের চাপ থাকায় অফিস থেকে বের হতে অনেক রাত হয় । পথিমধ্যে কিছু পুলিশ আমাকে দার করায় এবং জানতে চায় কোথা থেকে এসেছি ? আমি অফিসের আইডি কার্ড দেখানোর পরেও আমাকে তারা চেক করে কিন্তু কিছু না পেয়ে আমার কাছে 2000 টাকা দাবি করে না দিলে মাদক কেস দিবে ইত্যাদি বলে এখন নিজের সম্মান বাচাতে তাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি হাতিরঝিল দিয়ে আসতেছিলাম। অল্প একটু জায়গা ম্যাবি ১০ ফিট হবে ভুল চলে গিয়েছি। রাস্তা ফাঁকা থাকায় আমি গাড়ি ঘুরিয়ে ঠিক রাস্তায় চলে আসি। এটা দেখে ট্রাফিক পুলিশ —। দেখে তার সাগরেদ দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়। আমার পেপার্স আটকে রেখে। লোকেশনঃ হাতিরঝিল দিয়ে পুলিশ প্লাজা যাওয়ার আগের ৩ রাস্তার মোড়ে।
আমি ছয় শতক জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বায়না দলিলের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা প্রদান করি কিন্তু বায়না দলিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও বিভিন্ন তালবাহানা করে দুই বছর সময় অতিক্রান্ত করে। অবশেষে আমাকে জমি দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। তখন আমি টাকা উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য থানার একটি জিডি কফির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। থানায় জিডি করতে গেলে বলে এ সংক্রান্ত জিটি থানায় নেওয়া হয় না। পরবর্তীতে দালাল চক্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানায় জিডি করতে সক্ষম হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।