আমি ছাত্র ছিলাম যতাযত সকল কাগজপত্র দাখিল করেছিলাম সাথে পাসপোর্ট এর আবেদন পত্রও। আবেদন পত্রের যে অংশে পেশা লেখা সেখানে আমি Private Service লিখেছিলাম। (আমার ভাই বিদেশ ছিল, সে বলেছিল এটা লিখতে) এটা লেখার জন্য ভদ্রলোক আমার আবেদনটি গ্রহন করেন নি। ওনার ভাষ্যমতে আমি তখন ছাত্র ছিলাম আবেদন পত্রে পেশা ছাত্র লিখতে হবে। আমি ফেরত গেলাম গ্রামে। পরদিন নতুন ফরম করলাম দুইসেট এবং যতারীতি চেয়ারম্যান এর কাছে প্রত্যায়ন এর জন্য গেলে ওনি আামকে প্রশ্ন করলেন এত ফরম কেন? আমি আগের দিমের ঘটনা খুলে বললাম এবং নতুন ফরমের একসেটে পেশা ছাত্র লিখলাম এবং অন্য একটা খালি রাখলাম। ওনাকে বললাম যদি ছাত্রওয়ালাটা জমা না নেয় তবে পেশা খালি রাখাটা জমা দিব, এবং পাসপোট অফিসার যা লিখতে তাই লিখব। পাসপোট অফিসে আসার পর এখই ভদ্রলোকের কাছে গেলাম
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।