আমার বাবা হার্ট অ্যাটাক করেন প্রথমে হাইমচর উপজেলায় নেই, সেখানে ইসিজি করায় তবে কোনো সরকারি রশিদ ছাড়াই ২০০টাকা নেয়। অবস্থা খারাপ বলে চাঁদপুর ২৫০ শস্য বিশিষ্ট হাসপাতালে আমার বাবা কে নিতে বলে সেখানে গেলে আবারো ই,সি,জি করাই এবং সেখানেও ৩০০টাকা নেয়। পরে আমার বাবাকে ভর্তি করার কথা বল্লে বাবা না বলে, তারপরে আমরা ডাক্তার বলার কারনে ভর্তি করাই। পরে আরো ৪টা টেস্ট করি সেখানে বাবার রক্ত নিয়ে সরকারি কর্মীরাই ডায়াগনস্টিকে নিয়ে যায় আর আমাকে সেখানে ৭৫০০ টাকার টেস্টের জন্য টাকা দিতে হয়।টেস্টের কাজগ আনার পরে ডাক্তার মেডিসিন লিখে দেয়, তবে সব মেডিসিন কিনে আনতে হয়১৭০০টাকা,প রুমে নার্সরা পেশার আর ডায়বেটিস মাপার কারনে ১০০ টাকা নেয় সরকারি কোনো রশিদ ছাড়াই। তারপরে বেড পাইছি বালিশের জন্য এক আন্টিকে ৫০ টাকা দিতে হইছে।
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম
Asked for 500 to get me a bed for my son
কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।