২০২৪ সাল থেকে আমার বাবার পাসপোর্ট এর সমস্যা।সার্ভারে পুরান পাসপোর্ট এর তথ্য মেলেনা।ঢাকা হেড অফিসে গিয়েও সমধান হয়না।নওগাঁ অফিস থেকে চিঠি পাঠিয়েও সরাসরি হেড অফিস আগারগাও ২বছর ধরে ঘুরে ঘুরেও সমাধান হয়না।আমি একজন মাস্টার্স পাস, আমি চাইনি কোন রকম টাকা দিয়ে সমাধান করতে যারা কারনে ২বছর ধরেও সমাধান মেলেনি পরে এক লোক মাধ্যমে ২০হাজার টাকার বিনিময় ২১দিনে কাজ করে দেয়।যেটা আমি ২বছরে নিজের চেস্টাই সফল পাইনি আফসোস বিভাগিয় প্রধান থেকে শুরু করে নির্বাহি পরিচালকরা খুব আশা দেয় কিন্তু ২বছরেও যেটা করেনি সেটা ২০হাজারে ২১দিনে করে দিল
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।