নোয়াখালীর পাসপোর্ট অফিস তিনবার পাসপোর্ট করেছি নরমাল আবার ডিজিটাল আবার এমআরপি প্রত্যেক বার বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে সর্বশেষ এমআরপি পাসপোর্ট নিয়েছি 2024 এর জুন মাসে , পাসপোর্ট অফিসের বাইরের এমনকি সুবর্ণচর এর কম্পিউটার দোকান গুলো আবেদন করালে দোকানদার বলে তিন হাজার টাকা বাড়তি না দিলে আপনাকে হয়রানি করবে তখন আমার পরিচিত অনেকেই বাড়তি টাকা সহ পরিশোধ করে দেয় আর ওটার নাম লিখে দেয় চ্যানেল যা পাসপোর্ট অফিসের এক নাম্বার কাউন্টার দেখলেই বুঝে যায় এটা পেইড বাড়তি তাকে সেবা আর চ্যানেল দেখা না থাকলে তাকে নানা অজুহাতে দুই তিনবার ও ঘুরিয়ে দেয় । 2024 এর ঈদ ছুটির পর জুলাইয়ের প্রথম দিকে বাবার ওমরাহ যাবে তার পাসপোর্ট করতে আবেদন করি কিন্তু বাড়তি টাকা দিলাম না পরে বাবাকে অনেক হয়রানি করে
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।