বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে কোন প্লান অনুমোদন করতে গেলে প্রতিটি টেবিলে টেবিলে একাধিক বার টাকা দিতে হয়। LUC প্লান ফ্রম নিতে টাকা, LUC ফ্রম জমা দিতে টাকা, সার্ভেয়ার —, — সাইট ভিজিট করবে তাতে ৩০০০ - ৫০০০ করে নিবে। রাস্তা ছোট থাকলে, — ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করে। টাউন প্লানার সহকারি — টাকা দাবি করে। গেল LUC.। এর পর প্লান সহকারি —, — ( বড় সিন্ডিকেট) , — এরা ছোট প্লান ববদ ১-১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। — সিটি কর্পোরেশনের প্লান শাখায় বড় মাপের সিন্ডিকেট। বরিশাল শহরে যত বড় বিল্ডিং হয়েছে, সব তার হাতে হয়েছে। তাকে টাকা না দিয়ে কেউ প্লান করতে পারেনি৷ প্লান পাস হলে চালান নিতে ১০০০ করে দাবি করে —, —। প্লান শাখায় আরও বড় বাটপার —র সহকারি —।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।