প্রথম অবস্থায় অনলাইন এপ্লিকেশন করি কাগজপত্র সব ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা দেই (৭ নম্বর শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন অফিস), কয়েকদিন ফেলে রাখার পরে যখন তদারকি করা হয় তখন বলে কাগজে এই সমস্যা ওই সমস্যা। এরপরে প্রতি নামজারির জন্য তারা হাত খরচ চাই। কোনভাবেই কাগজপত্র আগানো সম্ভব হচ্ছে না। পরবর্তীতে তাদের পরিচিত মাধ্যম দিয়েই প্রতি নাম জারিতে পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে বাধ্য হয়েছি অনলাইন ফ্রি বাদে ই। এই ঘটনা শুধু আমার জন্য না এখানে যারা নামজারি করতে আসে তাদের সবার জন্যই ।এর সাথে এসিল্যান্ড নেয়ামতপুর জড়িত। এই অফিসের সবাই ঘুষখোর কেউ টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না। হয় টাকা থাকতে হবে না হয় পাওয়ার থাকতে হবে। কোন অভিযোগ দিয়ে লাভ হয় না। এভাবে আমি তিনটা নামজারি করতে পেরেছি খুব মনে কষ্ট নিয়ে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।