পাসপোর্ট আবেদর ফরমে আমার নাম এর আগে মোঃ দেই কারণ এটা আমার সার্টিফিকেটে ছিলো। কিন্তু জন্মনিবন্ধনে ছিলো না এই কারনে আমার পাসপোর্ট রিজেক্ট করে দেয়। বলেছিলো নতুন করে আবেদন করে নিয়ে আসেন। কিন্তু আমি ৬৩০০+ টাকা দিয়ে আর্জেন্ট ডেলিভারিতে পাসপোর্ট আবেদন করেছিলাম, আমি যদি আবার আবেদন করতাম আমার আরো ৬৩০০+ টাকা লাগতো। আমি অনেক রিকুয়েষ্ট করলেও তারা আমার আবেদন গ্রহণ করে নি পরে আমি এক আনসার এর সাথে কথা বলি, সে বলে করে দিতে পারবে। তারপর তাকে ১৫০০ টাকা দিই, আমাকে আবার অন্য একজন কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যায় এবং সে আমার আবেদনটি গ্রহণ করে তখনও আমাকে বলে আমার নামের আগে মোহাম্মদ নেই, আমি বললাম ভুল করে আমি ফর্মে লিখেছি আপনি একটু এডিট করে দেন তারপর তারা আমার আবেদনটি গ্রহণ করে।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।