চাচারা জমির পর্চা করেছিলো আমাদের নাম ছিলো না, প্রায় ৪০ বিঘার মতো জমি। পরে পর্চা সংশোধন করে আমার বাবার নাম বসাতে আমার প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ভাগ্যিস চাচারা ঝামেলা করেনি উনারা যদি উলটো ঝামেলা করতো আরও টাকা খরচ হইতো। তেঁতুলিয়া অফিস থেকে কাগজ দিনাজপুর অফিস ঘুরে সংশোধন হয়ে আবার তেঁতুলিয়া অফিস আসতে আমার ঘুষ দিতে হয়েছে ১৬০০০০ টাকা। আবার ১.৫ বছর দৌড়া দৌড়িতে ৫০ আমার হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।