আমার বাবা ২০১২ সালে মারা যাওয়ার সময় আমরা ভাই-বোন অনেক ছোট ছিলাম। তাই তখন মহানগর সিটি জরিপ চলাকালীন থাকা সত্ত্বেও আমাদের বনশ্রী এলাকায় অবস্থিত ফ্লাটটি নামজারি করাতে পারিনি। যখন বড় হয়ে বুঝের হই তারপর বাড্ডা ভূমি অফিসে ২০২৪ সালে নামজারির আবেদন করতে যাই। কিন্তু কর্মকর্তারা বললো আমার দলিলে যেই দাগে জমি রয়েছে সেই দাগে কাগজে কলমে কোন জমি ভুমি অফিসের বালাম বইয়ে নেই। লিগাল একমাত্র উপায় হলো মিস কেইস মামলা করা। এই মামলা শেষ হতে কত বছর লাগবে তার কোন ঠিক নেই। ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা একজন দালালের নাম্বার দেয় তার সাথে দেখা করলে সে বলে দুই লক্ষ টাকা দিলে সে অনলাইনে ভ্যালিড নামজারি করে দিবে। উপায় না পেয়ে ১১৫০/- টাকার নামজারি আমি ২,০০,০০০/- টাকা দিয়ে করাই।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।