এই মাসের ছয় তারিখে পাসপোর্ট আবেদন করতে গিয়েছিলাম। আমার পরিচিত একজন অভিজ্ঞ মানুষ থেকে জেনে নিয়েছিলাম কী কী কাগজ লাগবে। শুধু িএতটুকুই না পাসপোর্টের অফিসের পাশে উনার দোকানও আছে। তিনি সমস্ত কাগজ দেখে বললেন, সব ঠিক আছে। জমা দেন। সকাল নয়টা থেকে থেকে বিকাল চারটা দাঁড়িয়ে আমাকে ফেরত দেয়া হলো আমার আইডি কার্ডের সাথে আমার বর্তমান চেহারা মিলে না। তাই ফিঙ্গার চেক করতে আরেক রুমে পাঠানো হলো সেখানে থাকা কর্মকর্তা মন্তব্য করলেন “ আমি তো দেখছি আপনার চেহারা মিলছে মনে হয় স্যারের কাছে মিলছে না”। তাদের একটা কোড থাকে কাগজে এটা টপ টু বটম সবাই বুঝতে পারে ”এটা কি মালের কাগজ নাকি মালছাড়া কাগজ” মালের কাগজ না হলেই সেটা নিয়ে ঝামেলা করে। সময় হয়ে গেলে, একজন ত্রাণকর্তা বললো আপনার কাগলে তো কোন সমস্যা নাই ১৫০০ দিলে হবে।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।