এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পদোন্নতিতে ঘুষের অভিযোগ! আমার মায়ের লেকচারার থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়মতান্ত্রিক পদোন্নতির ফাইলসহ একই কলেজের আরও কয়েকজন শিক্ষকের ফাইল সংশ্লিষ্ট এক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আটকে ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, ফাইল চূড়ান্ত ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে ۲۰,۰۰۰ টাকা করে ঘুষ দাবি করা হয়। ফাইল আটকে থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত আমার মা ও তাঁর সহকর্মীরা বাধ্য হয়ে দাবিকৃত টাকা দিতে হয়। টাকা কম নেওয়ার অনুরোধ করা হলে ওই কর্মকর্তা জানান, “ওপরমহলেও টাকার ভাগ দিতে হয়।” এটি অত্যন্ত গুরুতর দুর্নীতির ঘটনা। আমার জানা মতে, অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষককেই পদোন্নতির ক্ষেত্রে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি এই অন্যায়ের অবসান চাই।
সরকারি ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড বিভাগীয় অফিস থেকে আবেদন করলে শিক্ষা সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তা ভাতা পেয়ে থাকেন। আমাদের কাহারোল উপজেলা, দিনাজপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, একজন প্রধান শিক্ষক, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর বাস হেলপার এবং একজন অফিস সহকারী মিলে ঘুষ এর বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন।
ঢাবি অধিভুক্ত ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বরাবরই প্রতি সেমিস্টারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত অর্থের থেকে বেশি অর্থ আদায় করে। কলেজটিতে কোনো পরিবহন না থাকা স্বত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে পরিবহন ভাড়া নেওয়া হয়। হলের ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ৪০০ নেয়। কলেজে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও, অর্থের বিনিময়ে হুমায়ূন কবির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ক্লাসে পড়ানো হয়। কলেজটির গভার্নিং বডি এবং শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত সিস্টেমেটিকভাবে ঘুষ নেয়। (সংযুক্ত অর্থের সংখ্যাটি প্রতি ৬ মাসের অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থে পরিমাণ নির্দেশ করে)
ইন্টার্নশীপ শেষে বিএমডিসি সার্টিফিকেট পেতে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ও ডকুমেন্টস নিতে স্পিড মানি নামে প্রতি ইন্টার্ন হতে নেওয়া হয়।না দিলে ঘুরানো হয়।অনলাইনে এসব আবেদন না থাকাকে বড় সুযোগ হিসেবে নেয়।
এনটিআরসি নিয়োগ দিয়েছিল, কিন্তু গভর্নিং বডি টাকা ছাড়া সাইন দিচ্ছিল না। পরে সবাই টাকা দিতে রাজি করায় ৩ মাসের বেতনের সমপরিমাণ
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।