তফশিল অফিসের অফিস সহকারী & পিয়ন মিলে সিন্ডিকেট করে। নায়েব অনেকটাই নিরুপায়। কোনো নামজারি & খাজনা দিতে গেলে ওদের মাধ্যমে দিতে হয়। তা না হলে এই ভুল সেই ভুল বলে বাতিল করে দিবে। কিন্তু যদি বলা হয় যে আমার ডকুমেন্টস এ কি কোনো প্রব্লেম আছে তখন সেটা দেখবে না। কিছু বলবেও না। আর অফিস সহকারী তো বলেই বসলো যে এসিল্যাড টাকা ছাড়া কাজ করে না। তবে তোমাদের (পাব্লিকের) কাছে থেকে নিবে না। আমদের (অফিস সহকারী / পিয়ন) মাধ্যমে গেলে নিবে। কি আর করা। অফিস সহকারী আর পিয়ন যে কত টাকার মালিক হয়েছে দুদুক ওদের ইনকাম সোর্স চেকিং করলেই বের হবে। আমি মনে করি সারা দেশের মানুষ ওদের এই জালায় আছে। আর অফিস এর কথা কি বলবো সিস্টেম এমন ভাবে ডিজাইন করা ওরা জাতে খেতে পারে তেমন ফাক ফোকর রেখে দিয়েছে। আংশিক খাজনা নিবে না। কিন্তু ওরা পারে
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।