সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেললাইন প্রকল্প এর জমি অধিগ্রহণ প্রকল্প তে জমির মালিক দের থেকে প্রতি লাখ এ ৩.৫%--৪% করে সিরাজগঞ্জ শহরের ভুমি অফিস এর কর্মকর্তা রা ঘুষ নিচ্ছে। নাহলে তারা চেক দিচ্ছে না। কাগজ-পত্র থেকে শুরু করে সব কিছু ঠিক করা বাবদ এবং চেক হস্তান্তর করার আগ পর্যন্ত উক্ত টাকা তারা নিচ্ছে। এ টাকা সব কর্মকর্তাদের মাঝে ভাগ হয়। আমার মোট জমির টাকার পরিমান প্রায় ৩২ লাখ টাকা। সে হিসাবে ৪% করে আমার থেকে ১,২৮,০০০ টাকা দাবি করেছে। উক্ত টাকা না দিলে আমার কাগজ পত্র নিয়ে তারা কাজ করবে না। এবং চেক ও দিবে না বলেছে। এ টাকা এখন আমাকে দিতে হয়েছে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।