হারানো সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য আবেদন করি,সরকারি সব ফি পরিশোধ করি,মাসখানেক ঘোরাঘুরির পর দায়িত্বরত অফিসার বলেন কলেজ অধ্যক্ষের সাইন লাগবে। কি সাইন,কোন পেপারে সাইন,বুঝতে চাইলাম,সে রেগেমেগে বলে "এতো কথা তো বিস্তারিত বলতে পারবো না ভাই,আমার অনেক কাজ আছে,এখানে বুঝানোর স্কুল খুলে বসি নাই।যেটা প্রসেস সেটা মেনে কাজ করতে হবে,আমি তো নিয়মের বাইরে না।"বের হয়ে যাচ্ছি,এমন সময় অফিস সহায়ক বললো,"ভাই আপনি কি শিশু?কিছু বোঝেন না?চায়ের বিল দিয়া সার্টিফিকেট নিয়া যান।হুদা ঘুরবেন ক্যা।প্রিন্সিপালের সাইন আনলে তহন আরেকটা কইবো।" ওনাকে চাহিদামতো ১০০০ টাকা দিলাম,সার্টিফিকেট নিয়ে আসলাম।
সরকারি ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড বিভাগীয় অফিস থেকে আবেদন করলে শিক্ষা সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তা ভাতা পেয়ে থাকেন। আমাদের কাহারোল উপজেলা, দিনাজপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, একজন প্রধান শিক্ষক, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর বাস হেলপার এবং একজন অফিস সহকারী মিলে ঘুষ এর বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন।
ঢাবি অধিভুক্ত ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বরাবরই প্রতি সেমিস্টারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত অর্থের থেকে বেশি অর্থ আদায় করে। কলেজটিতে কোনো পরিবহন না থাকা স্বত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে পরিবহন ভাড়া নেওয়া হয়। হলের ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ৪০০ নেয়। কলেজে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও, অর্থের বিনিময়ে হুমায়ূন কবির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ক্লাসে পড়ানো হয়। কলেজটির গভার্নিং বডি এবং শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত সিস্টেমেটিকভাবে ঘুষ নেয়। (সংযুক্ত অর্থের সংখ্যাটি প্রতি ৬ মাসের অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থে পরিমাণ নির্দেশ করে)
ইন্টার্নশীপ শেষে বিএমডিসি সার্টিফিকেট পেতে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ও ডকুমেন্টস নিতে স্পিড মানি নামে প্রতি ইন্টার্ন হতে নেওয়া হয়।না দিলে ঘুরানো হয়।অনলাইনে এসব আবেদন না থাকাকে বড় সুযোগ হিসেবে নেয়।
এনটিআরসি নিয়োগ দিয়েছিল, কিন্তু গভর্নিং বডি টাকা ছাড়া সাইন দিচ্ছিল না। পরে সবাই টাকা দিতে রাজি করায় ৩ মাসের বেতনের সমপরিমাণ
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।