হয়রানি বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি ঢাকায় রাইড শেয়ার করতাম। গত ১৮/০৬/২০২৬ তারিখে আমি বাইক নিয়ে গাবতলি মাজার রোডে সিরাজ চুই গোস্ত এর সামনে গিয়ে দাড়াই। এক ট্রাফিক সার্জেন্ট আর — নামের এক কনস্টেবল সবার বাইকের কাগজ চেক করতে শুরু করে। আমার কাছে বাইকের কাগজ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দুটোই অনলাইন কপি ছিলো। সেই সার্জেন্ট বলে অনলাইন কপি দিয়ে কিছু হবে না। পাশে থেকে কনস্টেবল — বলে ২০০০ টাকা দে তা না হলে গাড়ি ডাম্পিং এ দিবো। আমি জানি এই ঘটনা টা অনেক সিলি মনে হচ্ছে, কিন্তু ছিনতাইকারীরা যেভাবে ফাকা স্থানে ছিনতাই করে সেদিন কনস্টেবল — আমার কাছে ওভাবেই টাকা নিয়ে নেয়। এই ঘটনার পরে আমি আর ২ দিন ঢাকাতে ছিলাম। বাইক রাইড ছেড়ে আমি গ্রামের বাসাতে চলে এসেছি।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য হয়রানি
দপ্তর ট্রাফিক পুলিশ
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা মাজার রোড, গাবতলি
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
নিশ্চিতকরণ ০ জন
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

ট্রাফিক পুলিশ

কোন সমস্যা নেই কাগজ পাতির

কোন সমস্যা নেই কাগজ পাতির, মামলার ভয় দেখিয়ে ৫০০ টাকা নিয়েছে

ঘুষ দিয়েছি
কারওয়ান বাজার ৳৫০০
২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৫৪
ট্রাফিক পুলিশ

হয়রানী

আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করি কাজের চাপ থাকায় অফিস থেকে বের হতে অনেক রাত হয় । পথিমধ্যে কিছু পুলিশ আমাকে দার করায় এবং জানতে চায় কোথা থেকে এসেছি ? আমি অফিসের আইডি কার্ড দেখানোর পরেও আমাকে তারা চেক করে কিন্তু কিছু না পেয়ে আমার কাছে 2000 টাকা দাবি করে না দিলে মাদক কেস দিবে ইত্যাদি বলে এখন নিজের সম্মান বাচাতে তাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০৯
ট্রাফিক পুলিশ

রাস্তায় আটকিয়ে ৫০০ টাকা নিয়েছে

আমি হাতিরঝিল দিয়ে আসতেছিলাম। অল্প একটু জায়গা ম্যাবি ১০ ফিট হবে ভুল চলে গিয়েছি। রাস্তা ফাঁকা থাকায় আমি গাড়ি ঘুরিয়ে ঠিক রাস্তায় চলে আসি। এটা দেখে ট্রাফিক পুলিশ —। দেখে তার সাগরেদ দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়। আমার পেপার্স আটকে রেখে। লোকেশনঃ হাতিরঝিল দিয়ে পুলিশ প্লাজা যাওয়ার আগের ৩ রাস্তার মোড়ে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫০০
২১ আগস্ট ২০২৬ ৯১
ট্রাফিক পুলিশ

থানায় সাধারণ ডায়েরি করন প্রসঙ্গে

আমি ছয় শতক জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বায়না দলিলের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা প্রদান করি কিন্তু বায়না দলিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও বিভিন্ন তালবাহানা করে দুই বছর সময় অতিক্রান্ত করে। অবশেষে আমাকে জমি দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। তখন আমি টাকা উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য থানার একটি জিডি কফির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। থানায় জিডি করতে গেলে বলে এ সংক্রান্ত জিটি থানায় নেওয়া হয় না। পরবর্তীতে দালাল চক্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানায় জিডি করতে সক্ষম হই।

ঘুষ দিয়েছি
হারাগাছ ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮৩