আমি একজন প্রবাসী। জরুরি প্রয়োজনে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গেলাম। সরকার নির্ধারিত Emergency Passport-এর সরকারি ফি যথাযথভাবে জমা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা নগদ দিতে হলো। এই টাকার কোনো সরকারি রসিদও দেওয়া হয়নি। প্রশ্ন হলো- সরকারি ফি যদি নির্ধারিত থাকে, তাহলে এই অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা কেন? আর যদি কোনো বৈধ অতিরিক্ত ফি থাকে, তাহলে তার সরকারি রসিদ কেন দেওয়া হবে না? আমরা প্রবাসীরা দেশের বাইরে থেকে কষ্ট করে আয় করি, দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখি। দেশে ফিরে যখন নিজের প্রয়োজনীয় একটি সরকারি সেবা নিতে যাই, তখন যদি এভাবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়, সেটা সত্যিই কষ্টদায়ক। আহা, আমাদের সোনার বাংলাদেশ! প্রবাসীদের সম্মান শুধু কথায় নয়, সরকারি সেবা গ্রহণের সময়ও তার বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চাই।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।