অভিযোগের বিবরণ: সম্প্রতি একজন পরিচিত ব্যক্তি পাসপোর্ট করার জন্য আমার সহযোগিতা চান। তিনি তুলনামূলকভাবে অশিক্ষিত হওয়ায় অনলাইনে আবেদন করা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বোঝা, আবেদন ফি/ব্যাংকের টাকা পরিশোধসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় আমি তাকে সহযোগিতা করি। পাসপোর্টের আবেদন করার জন্য আমরা পাসপোর্ট অফিসের আশপাশের একটি কম্পিউটার/অনলাইন সেবার দোকানে যাই। সেখানে আবেদন করার সময় আমার পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে, ওই দোকানের লোকজন পাসপোর্ট অফিসের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করে। আবেদনপত্রে নামের বানান, ইংরেজি নামের বানান, কাগজপত্রের কোনো তথ্য বা অন্যান্য ছোটখাটো বিষয়কে পরবর্তীতে সমস্যা হিসেবে দেখানো হতে পারে—এমন তথ্য তারা আগে থেকেই সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে রাখে বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।