১৫০ ধারা ভাঙার জন্য রায় পেয়েছিলাম, কিন্তু একজন অফিসার সেটা প্রায় ২ বছরেও রেকর্ড ভাঙার জন্য সাব অফিসে পাঠায় নাই। আমরা যাবো তাই অপেক্ষা করতে ছিলো,অবশেষে আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার বানাড়ী পাড়া ভূমি অফিসে গেলাম,রায়ের আদেশ কেন সাব অফিস চাখার গেল না জানতে চাইলাম, তিনি জানাতেই চারদিন আমাদের ঘুরালেন,তারপর তালাশির নামে টাকা নিলেন,তারপর রায়ের কপি দিতে টাকা চেয়ে নিলেন,কম হওয়াতে পুনরায় চাপদিয়ে টাকা নিলেন,তারপর ফটোকপি আর খাতায় লিখতে অফিস খরচ নিলেন,অবশেষে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে রায়ের কপি হাতে পেলাম,রায়ের কপি নিয়ে গেলাম চাখার সাব অফিসে, অফিসারের সাথে কথা বললাম রায় ভেঙে লেখার জন্য কিন্তু কিছুতেই তিনি কাজটি টাকা ছাড়া করবেন না,অবশেষে তার নিম্নপর্যায়ের সহকারী কে ঘুষের পুরা টাকা দিয়েই রায় ভাঙতে হলো, মোট ঘুষ- প্রায় ৫০ হাজার
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।