ভৈরব ভূমি অফিসের সিএস ও এসএ খতিয়ানের দুটি করে চারটি মূল বইয়ের মধ্যে একটি করে বই দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ। অভিযোগ রয়েছে, ১৯৭১ সালের পর এগুলো চুরি/সরিয়ে নেওয়া হয় এবং বর্তমানে জেলা প্রধান ভূমি অফিস, এমনকি দেশের প্রধান ভূমি অফিস ঢাকা তে ও নথি পাওয়া যায় না। আরও অভিযোগ রয়েছে, ভৈরব ভূমি অফিসের কিছু কর্মচারীকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিলে ওই নিখোঁজ নথি থেকে কপি দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে নথি উদ্ধার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার উপার্জন চলমান প্রক্রিয়ায় করে যাচ্ছে এই অসাধুচক্র। এবং এই ভোগান্তি দীর্ঘদিনের নয় দীর্ঘ বছরের।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।