পিতার মৃত্যুর পর, ওয়ারিশগণের নামে মাত্র ৬.২৫ শতাংশ জমি নামজারি করতে গেলে ইউনিয়ন ভুমি অফিস ৩০,০০০ টাকা চায়। পরে ২৫,০০০ টাকায় রফাদফা হয়। এর মধ্যে ২০,০০০ টাকা অগ্রীম দেই। বাকী টাকা নামজারি হয়ে যাওয়ার পর দেয়ার কথা ছিল। সময়টা তখন ২০২৪ সালের জুন মাস। জুলাইয়ের শেষের দিকে নামজারি কমপ্লিট হয়। ভুমি অফিস থেকে কল করে নামজারির সিলযুক্ত কাগজ নিয়ে যেতে বলা হয়। কিন্ত ঐ সময়ে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছিল। পরবর্তীতে ৫ই আগস্টের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, ভুমি অফিসে গেলে বাকী ৫,০০০ টাকা চায়নি। নামজারি ও খাজনার কাগজ নিয়ে চলে আসি।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।