জমির খতিয়ান/ দাগ অনলাইন করা হয়নি খাজনা দেয়া যাবেনা। বলা হলো আপনারা অনলাইন করা বন্ধ রেখেছেন প্রায় বছর ধরে, কিভাবে অনলাইন করবো; তাছাড়া অনলাইন করার দায়িত্ব তো ভূমি অফিসের! উপরের কাউকে দিয়ে অনুরোধের পর কাজ শুরু হলো। কিন্তু কখনও বলা হলো সার্ভার ডাউন, বিদ্যুৎ নাই, কম্পিউটারে কর্মচারী নাই ইত্যাদি। ৬ দিন যেতে হলো। টাকাও দিতে হলো প্রতি খতিয়ানের নিজস্ব অংশে ২০০/ করে মোট ৪৫০০/ টাকার মত। আর ছয়দিনের যাওয়া আসার খরচ, বাইরে হোটেলে খাওয়া ও ভোগান্তির কস্ট কত তা অর্থনীতিবিদরা বের করুন opportunity cost হিসেবে করে। যখন ডিজিটাল ছিলনা একদিনেই খাজনা দেয়া যেতো।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।