কিশোরগঞ্জ জেলার মানিকখালি ভুমি অফিসে আমার নানার দেওয়া আমার মায়ের একটা জমি আছে, খতিয়ানে আমার নানার নামে একটু ভুল ছিল, এই পরজন্ত সবই ঠিক ছিল,রাস্তার পাশে জমি হওয়ায় জমির দাম বেড়ে যায় , সেটাকে পুজি করে লোভে পড়ে আমার নানার বোনের ছেলে তার মায়ের নামে জায়গা দখ্ল দেখিয়ে মানিকখালিতে মিস কেস আবেদন করে এবং মানিকখালিতে নায়েবকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে তারা তাদের মতো রিপোর্ট করে নেয়, কিন্ত এই পরজন্ত জায়গা আমাদের দখলে খাজনা আমরাই দিচ্ছি , কাগজপত্র ও সব ঠিকি আছে, এখন তারা জোর করে দখল করার উপদ্রব করতেসে, এখন এই খতিয়ানের রায় যদি তাদের পক্ষে যায় তাহলে তারা জোর করে এই জায়গা দখলে নিবে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।