আমার ছেলের বয়স প্রায় দেড় বছর। ওর পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেলাম। কিন্তু সেখানে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ নিয়ে সমস্যা দেখিয়ে আমার ছেলের ফাইলটা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর সেখানকার একজন আনসারের সঙ্গে আমার কথা হয়। তিনি ২,০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটা করে দেওয়ার কথা বলেন। মজার বিষয় হলো, শেষ পর্যন্ত আমার সেই জন্মনিবন্ধনের কাগজটাই বাইরে একটা দোকান থেকে শুধু লেমিনেটিং করে নিয়ে আসে। এরপর ওপর থেকে একজন সরকারি কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে ফাইলটা রেডি করে দেয়। আমি আবার সেই ফাইলটা জমা দিই এবং শেষ পর্যন্ত আমার ছেলের পাসপোর্টের কাজও হয়ে যায়। ঘটনাটা দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি—যে কাগজের কারণে প্রথমে ফাইল রিজেক্ট করা হলো, শেষ পর্যন্ত সেটাই শুধু লেমিনেটিং আর একজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর দিয়ে ঠিক
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।