যে কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করেছি সে চাইলো, তার ফরম ফিলাপ ২০০/= + ট্রেজারী চালানের টাকা + অফিসে ঘুষ ১৫০০/=। ঘুষে রাজি হলাম না। তখন বল্লো পৌরসভার প্রত্যায়ন, ম্যারেজ সার্টিফিকেট, NID ভেরিফিকেশন ছাড়া ,( নির্বাচন কর্মকর্তা বললো সার্ভার বন্ধ )ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি কাগজ পত্র সহ চেষ্টা করতে - জমা দিতে গেলাম । জমা দেবার ডেস্ক কাগজ দেখে জানালো হবেনা। NID ভেরিফিকেশন প্রত্যায়ন করে আনতে হবে। যাওয়া আশায় tk ৮০০/= cng ভাড়া গেল। NID ভেরিফিকেশন এর জন্য tk ৩৪০/= ট্রেজারী চালান করলাম। ঢাকা নির্বাচন অফিস থেকে ভেরিফিকেশন নিয়ে এলাম। ওখানে লেখা আছে - কোন স্বাক্ষর প্রয়োজন নেই। আবার গেলাম ৮০০টা: খরচে - পাসপোর্ট নিলোনা। অফিসের এক পিওন ১৫০টাকায় সব ঠিক করলো, যথাসময়ে পাসপোর্ট পেয়েছি। হারামিদের দখলে সব।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।