আমরা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (DNCC) নতুন ভুক্ত এলাকার বাসিন্দা। এতদিন কোনো নাগরিক সেবা না দিলেও সম্প্রতি উন্নয়ন কাজ শুরুর সাথে ২০১৮ সাল থেকে বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের নোটিশ দেওয়া হয়। আমি সব কাগজপত্র জমা দিই। কিন্তু দায়িত্বরত কর্মীরা মাসিক ট্যাক্সের যে অতিরিক্ত হিসাব দেখান, তাতে ২০১৮ সাল থেকে মোট বকেয়া দাঁড়ায় প্রায় ৫,০০,০০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা। পরবর্তীতে কর্মচারীরা বিষয়টি "রফা" করার প্রস্তাব দেয়। তারা জানায়—বার্ষিক ট্যাক্স ৩০,০০০ টাকায় নামিয়ে দেওয়া হবে, তবে এর জন্য ২,০০,০০০০ (দুই লাখ) টাকা ঘুষ দিতে হবে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।