নামজারি করার জন্য আমি অনলাইনে আবেদন করি।আমি প্রবাসী চলে যাব তাই ভূমি ইউনিয়ন অফিসে গিয়ে এসিল্যান্ড স্যারকে বলেছিলাম,”আমি পনেরো দিনের মধ্যে প্রবাসে চলে যাবো(বিমানের টিকিট দেখিয়ে)তাই আমার নামজারি কি ভাবে সহজে করা যাবে । তিনি বলেন,প্রবাসীদের জন্য সরকার সুযোগ দিচ্ছে কাজটা সহজ করার জন্য ও অফিসের — সাহেবের সাথে যোগাযোগ করতে এবং এসিল্যান্ড স্যারের কথা বলতে। সাথে এও বলে দিলেন কোন টাকা পয়সা না দেওয়ার জন্য।— সাহেব কে সব কিছু বলার পর তিনি একটু বিরক্ত বোধ করলেন ।এক ঘন্টা পর তিনি আমার কাছে ৪০০০ টাকা চাইলেন ।এর আগে আমার ফাইলটা খুঁজে বের করতে এক হাজার টাকা দিতে হয়েছে।সর্বশেষ অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করতে হলো। অফিসের লোক অসাধু ভাবে ৩০০০ নিয়েছে। তার পর আরো বারোশত টাকা অনলাইন পেমেন্ট করি
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।