জেলা রেজিষ্টার অফিস নোয়াখালী- কম্পিউটার অপারেটর এবং প্রধান সহকারীর চাহিদামত ঘুষ না দিলে প্রবাসীদের কাবিন অনলাইন যাচাই হয় না । সংশ্লিষ্ট কাজী, ভলিয়ম বই এবং সেবাপ্রত্যাশী হাজির হলে ও ঘুষ অব্শ্যই দিতে হয় । আমি এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেছি । স্কিনশট দেয়ার অপশন নাই তাই দেয়া যাচ্ছে না । স্থানীয় মিডিয়া অনেক নিউজ করছে তার পরে ও নোয়াখালী জেলা রেজিষ্টার অফিসে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধ হয় নাই । নতুন নতুন নিয়মের দোহাই দিয়ে ঘুষের অংক নির্ধারন করে থাকে । আমরা প্রবাসীরা অসহায় । অনেকের কাছে জানতে পারলাম শুধুা আমাদের নোয়াখালী জেলা নয় প্রত্যেক জেলায় ই রেজিষ্টার অফিস এবং কাজীদের চাহিদামত টাকা ছাড়া সেবা পাওয়া যায় না ।
If u pay process is fast and smooth. Otherwise file gets prolonged.
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।
আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।
আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।