আড়াই মাস যাবৎ প্রায় ১০ বার ব্রাম্মনবাড়িয়া গিয়েছি সাতগাঁও আমতলী বাজার থেকে। আমার বাবা একজন মুক্তি যোদ্ধা। উনাকেও মূল্যায়ন করেনি। রেকর্ড রুম এ এই ১০ দিনের শেষ দিনে তারা আমাকে সই মুড়ির একটা কাগজ দেয়। সেটা নেয়ার সময় বলেছিলাম এটা কি অনলাইন হয়েছে কিনা তারা বলে সেটা বলতে পারবে না। তারা বললো তাদের কাজ শেষ। কিন্তু যখন খারিজ করতে গেলাম ফাইল জমা দিলাম অ্যাসি ল্যান্ড বিজয় নগর বলল এটার দাগ নাম্বার পরিবর্তন হয়নি। এখন বলুন এই হয়রানির মানে কি? ২০০০০ টাকা দিলে নাকি ১৫ থেকে ২০ দিনেই অনলাইন হয়ে যেত। তার মানে ইচ্ছে করেই অনলাইন করেনি।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।