পাসপোর্ট নিজে করার সময় টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে সকল কাগজপত্র নিয়মমতো পূরণ করে জমা দিলে তারা সেটি জমা নেয়নি, বাজে আচরণ করে। তারপর তারা বলে এভাবে পেতে তিন মাস সময় লাগবে। যেখানে সকল প্রক্রিয়া আমি সম্পন্ন করলে ৬ থেকে ৭ হাজার খরচ হতো তা তাদের মাধ্যমে ১৫০০০/= টাকা জমা দিয়ে করতে হয়েছিল। ২য় বার সমস্যা হয় বাইরে যাওয়ার সময় বিএমইটি ট্রেনিংয়ের পর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার সময়, সরাসরি গেলে তাদের নেট থাকে না, সার্ভার সমস্যা। অথচ ৫০০ টাকা বকসওস দিলে ৫ মিনিটে কাজ হয়ে যায়, নয়তো ২/৩ দিন তাদের অফিসে ঘুরতে হয়। এগুলো সমাধান করার কেউ নেই। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে কাজ সম্পন্ন করতে হয়। পুলিশ ভেরিফিকশনের সময় আরেক ধাপ টাকা প্রদান করতে হয়। নেত্রকোনা থেকে।।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।