আড়াই হাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়ন এর ভূমি অফিসে নামজারির জন্য গিয়েছিলাম। কাগজপত্র এটা সেটা সমস্যা আসছে বলে আমার নিকট ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। আমি বলেছি আমি গরিব মানুষ দিতে পারব না। বলছে না দিতে পারলে উপজেলা অফিসে ফাইল আটকে যাবে। আমি বলেছি আটকে গেলে আটকে যাবে আমার ফাইলটা ছেড়ে দেন। তারপর ওনারা ফাইলটা এক সপ্তাহ পর ছেড়ে দেয়। তারপর সঠিক নিয়মই আমার নাম জারি টা হয়ে যায়। তারপর ইউনিয়ন অফিসে হোল্ডিং খোলার জন্য আমার নিকট থেকে পাঁচশত টাকা নেয়। আর উপজেলা ভূমি অফিসে মূল খতিয়ান থেকে আমার নামজারীর অংশ মাইনাস করার জন্য ২০০ টাকা নেয়।এই নামজারিটি করার জন্য আমাকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তিনবার এবং উপজেলা অফিসে দুইবার আসতে হয়। তারপর আমার নামজারি সম্পন্ন হয়।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।