আমি পরিশোধ করিনি। তবে আমার সেই দরিদ্র দাদা যে আমার নিকটে জমি বিক্রি করেছে, সে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছিল। তার জমির খতিয়ানে করনিক ভুল ছিল। জমির দাগ নম্বর ২৬২৮ এর স্থানে ১৬২৮ লেখা ছিল, যার কারণে সে আমাকে জমিটি দলিল করে দিতে পারছিল না। ঘুষ সরাসরি নিয়ে ছিল স্থানীয় দলিল লেখক তবে সেটা যে ভুমি অফিসে এসিল্যান্ড নিয়ে ছিল তা আমি বুঝতে পরেছিলাম। কারণ আমি আমার সেই দাদার হয়ে ২ মাস ভূমি অফিসে ঘুরেও সেই মিসকেস অনুমোদন নিতে পারছিলাম। নানা ধরনের অজুহাত চলছিল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যেতে হবে, সরজমিন তদন্ত হবে, তারপর ইত্যাদি ইত্যাদি। অখচ ঘুষ দেওয়ার পরদিনই সংশোধিত খতিয়ান পাওয়া গেলো। জমিও রেজিস্ট্র হয়ে গেল। আমি শিক্ষিত লোক হয়েও বোকা বনে গেলাম। ভূমি অফিসে বড়বাবু আমাকে দেখে হাসতো। ২০২৩ সালের ঘটনা।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।