"চট্টগ্রাম সিইপিজেড কাস্টমসে, প্রতিদিন প্রায় ৫,০০০-৭,০০০ আমদানি ও রফতানি ডকুমেন্টস সহ অন্যান্য নথি প্রক্রিয়া করা হয়। এটি সাধারণত জানা যায় যে কাস্টমস-সম্পর্কিত পরিষেবাগুলির জন্য প্রতি নথিতে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা অনানুষ্ঠানিক "টিপস" প্রত্যাশিত, এবং এই জাতীয় অর্থ প্রদান ব্যতীত, নথিগুলি বিলম্বের মুখোমুখি হতে পারে , বিভিন্ন নথির দাড়ি, কমা, বানান ভুল, নাম্বার ভুলের অযুহাত দেখায় বা পরিষেবাগুলি সরবরাহ করা নাও যেতে পারে। প্রতিদিন গড়ে ৬,০০০ নথির উপর ভিত্তি করে: ৬,০০০ × সর্বনিম্ন বিডিটি ৫০০ = ৩,০০,০০০ প্রতিদিন অতএব, আনুমানিক দৈনিক পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা (৩ মিলিয়ন) হবে। এছাড়া, কাস্টম সিকিউরিটি ও বেপ্জা সিকিউরিটির ( টিপস তো আছেই) । গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন সাপ্লাইয়ার্স , সি এন্ড এ
প্রতিমাসে Into Bond & Ex-Bond করতে অফিসারদেরকে এরকম টাকা দেওয়া লাগে।
জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর জয়েন কমিশনার — এর ছত্রছায়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের একটি চক্র পণ্য পরীক্ষণে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে। নাহলে অযথা বিলম্ব করে নানাভাবে হয়রানি করে। এজন্য পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। অহেতুক মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম এর শুল্কায়ন গ্রুপ ৪ এর সহকারী কমিশনার — একটি পণ্য চালান ছাড়ের ১৫০০০০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে পণ্য ডেমারেজ এর কথা চিন্তা করে ১২০০০০ টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়। এই গ্রুপে অযথা পণ্য শুল্কায়ন ফাইলে হয়রানি হতে হয়।
আমাদের কোম্পানীর একটি আমদানীকৃত মেশিনারি আমদানী পযায়ে এইচএস কোড ভূল ভাবে মূল্যায়ন করে আমদানী টেক্স বাবাদ প্রায় ১৫০,০০,০০০/- দাবী করা হয়। যা শতভাগ অন্যায় ছিল। কিন্তু আমাদের কোম্পানী নিরুপায় হয়ে ১৬,০০,০০০/- ঘুষ প্রদান করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে বাধ্য হয়। তা না হলে আমাদের কোম্পানীর আর ও বড় ক্ষতি হত। হ্যাঁ আমরা স্বীকার করছি কাজটি অন্যায় কিন্তু এ ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় ছিল না। আমরা যদি কাস্টমস এর সঙে এই ব্যাপারে উচ্চতর আপিল করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে যেতাম তা হলে অনেক সময় লাগত। ততদিনে বন্দর এর ডেমারেজ এবং শিপিং লাইনের ডেমারেজ সহ উক্ত মেশিনারি দ্বারা যেই পণ্য উৎপাদন করা হবে তাও হত না। এসব কথা বিবেচনা করে আমাদের কোম্পনী ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।