চাকুরিতে যোগদান
না দিলে বেতন করে দিবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
না দিলে বেতন করে দিবে না।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
দেশের সকল প্রজেক্টের বিল এজি অফিস থেকে চূড়ান্ত পরিশোধ করা হয়। প্রতিটি বিলে জন্যই ঘুষ প্রদান না করলে চেক/ব্যাংক ট্রান্সফার প্রদান করা হয়না। আমি অন্তত্য ১৫টি টি বিল ছাড়িয়েছি। যার প্রত্যেকটির জন্য আলাদা আলাদা ৮০০০-১২০০০ টাকা করে ঘুষ প্রদান করেছি।
আমার কর্মচারীকে বেতন বিল করতে পাঠাই।তিনি এসে বলেন যে ১০০০ টাকা দিতে হবে।পরে ৩০০ টাকায় মিটমাট করতে বাধ্য হয়েছি
২০২২ সালে নতুন সরকারিতে চাকরিতে জয়েন করার পর বেতন চালু করতে হাটহাজারী উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস কতৃক এই অর্থ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকার বিনিময়ে আড়াই মাস পর থেকে বেতন পাওয়া শুরু হয়।
পেনশনের সব কাগজপত্র রেডি ছিল, তারপরও তার অডিট সামলানোর খরচ হিসাবে দাবী ছিল টাকা, না হলে বেতন চালু হবে না।
এটি খুবই লজ্জার বিষয় যে নিজে একজন সরকারি চাকুরিজীবী হয়ে অন্য একটি সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে যেয়েও ঘুষ ছাড়া কাজ করানো যায়না। সরকারি চাকুরি পেয়ে পে ফিক্সেশন করে বেতন নিতে হয় আর এই পে ফিক্সেশনেই দেশের সকল হিসাব রক্ষণ অফিসে ঘুষ দেয়া লাগে। অর্থাৎ আপনাকে চাকুরির শুরুতেই ঘুষের মধ্যে দিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়। আমি প্রাথমিকভাবে টাকা দিতে অশীকৃতি জানাই যার কারনে আমার ফিক্সেশন দেরিতে হয় ও অন্য সবার পরে আমার বেতন পাই যেটা অন্যদের থেকে ২ মাস পরে। পরে বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে বেতন ফিক্সেশন করাই। এছাড়া আমার অন্যান্য কলিকদের কাছ থেকেও ২৫০০-৩০০০ করে টাকা নিয়েছে এই বেতন ফিক্সেশন করাতে।
I went to receive a chaque for bill, They have a fix rate .8% of total Amount.
সরকারি চাকরিতে আমার প্রথম মাসের বেতন ছাড় করতে এজি অফিসে ঘুস দিতে হয়েছিল। আর নাহয় বেতন আটকে থাকবে মাসের পর মাস চাকরি জীবনের শুরুতেই এজি অফিস আমাকে ঘুষ দিতে বাধ্য করে। অসহায়ের মতো একজন সরকারি চাকুরীজীবী হয়েও আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই
বিসিএস ক্যাডার হওয়ার পর বেতন হচ্ছিল না।কাগজ পত্রে গরিমসি এবং ঘোরানো এবং হয়রানি করা কিছু পাওয়ার আশায়
My father die in 2024. And we got my father pension to my mother name in 2026. We make our all papers works. Then we go to the Rajshahi account office and submit our paper. And officer chake our paper . Than that officer call me out and he said to me if i give him 50000 thousand . But I give him 40000 thousand .
somobay er upazila er head amar kache ghus cheyecilo ami dei nai ami jante pari ase pase onno je somobay songstha ache sekhan theke o ghus niyevhe uni . r ei ghuser taka diye dhakay duita flat korece .
সেবা নেয়ার সময় কোনো চাপ ছিলো না। দু'জন অফিসার বসে ছিল, তারা অযথা সময়ক্ষেপন করছিলো, তারা এক পর্যায়ে আমার সাথে বাংলাদেশের প্রচলিত ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে। প্রায় ২ ঘন্টা পরে আমাকে মেইল করে ডকুমেন্ট দেয়। এর পর টাকা দাবী করে। এক পর্যায়ে আমি দিতে বাধ্য হই। এবং অবাক হলাম কারন তারা আমার সাথে ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে টাকা চাইলো।
একই প্রকার দাবী অন্য উপজেলা ছাড় করলেও আমাদের দাবী পেন্ডিং রেখেছে।
আব্বা মারা যাওয়ার পর মায়ের নামে পেনশন করাতে গিয়ে চা-নাস্তার খরচ হিসেবে ১০হাজার টাকা দেয়া লাগে।
আইবাস একাউন্ট খোলা, টিএ ডিএ বিল করা, অন্যান্য আর্থিক সেবা। সব ক্ষেত্রেই ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে না। না দিলে কাজ আটকে যায়।
সরকারি অফিসের প্রয়োজনীয় খরচের বিল একাউন্টস অফিসে সাবমিট করলে অডিটর ৫% হারে ঘুষ না দিলে বিল এর কাজ করেনা। বাধ্য হয়ে দিয়ে কাজ করতে হয়।
বকেয়া বেতন উত্তোলন করতে টাকা চাওয়া।
সময় পুর্তির কয়েক দিন আগে নিয়েছিলাম তাই দাবি করেছিলো
এসএফসি (পূর্ত),ঢাকা সেনানিবাসে লজিস্টিক এরিয়া সদর দপ্তরের লাগোয়া ভবন।সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা এখান থেকে অডিট নিষ্পত্তি করে পরিশোধ করে।সরকারি কর্মচারীদের বেতন ব্যতীত যাবতীয় বিলের মোট টাকার ২৩% পর্যন্ত তাদেরকে অগ্রীম ঘুষ দিতে হয়।তারপরও ভালো আচরণ করে না।