টি/এ বিল,বেতন বিল,অন্যান্য বিল এর জন্য আবেদন
টি/এ বিল,বেতন বিল,অন্যান্য বিল সঙক্রান্ত সেবা নিতে গেলে সিগেরেটের প্যাকেট কিনে দিতে হয়,কেউ কেউ টাকা ছাড়া কাজ করে না,ঘূষ দিতে হয় যত টাকার বিল করা হবে,সেই টাকার উপর শতকরা হিসেবে ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টি/এ বিল,বেতন বিল,অন্যান্য বিল সঙক্রান্ত সেবা নিতে গেলে সিগেরেটের প্যাকেট কিনে দিতে হয়,কেউ কেউ টাকা ছাড়া কাজ করে না,ঘূষ দিতে হয় যত টাকার বিল করা হবে,সেই টাকার উপর শতকরা হিসেবে ।
কোন TA/DA বিল এবং ওভার টাইম বিল সহ যে কেন বিল পাশ করাতে হলে SFC মীরপুর কে ১% টাকা দিতে হয় না হলে কেন বিল পাশ হয় না,, এটা থেকে প্রতিকার চাচ্ছি। এটা রেগুলার।।
বাবা মারা যাবার পর পেনশনের টাকা উত্তোলন করার জন্য
টাকা দাবি করেছে আমার কাছে
অত্র উপজেলার উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটর সাহেব বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের জন্য প্রতি বরাদ্দ থেকে ৪% পিসি আদায় করেন ।
maa pensions er taka jonno ghus cheyechilo. pension er kostei amar maa mara jay.
নতুন চাকুরিতে যোগদান করার পর বেতন তোলার জন্য প্রথমে এজি অফিসে পে ফিক্সেশন করতে হয় । এটা খুবই বিরক্তকর এবং হয়রানিমূলক প্রসেস। পে ফিক্সেশন করতে হিসাব সংরক্ষন অফিস এর অডিটর চা নাস্তা খাওয়ার জন্য ২০০০ টাকা দাবি করে আমার অফিস প্রধান ও দিতে বলেন উপায় না তারা নাকি এটা নিয়ে থাকেন। শুরুতেই খুব তিক্ত অভিজ্ঞতা। এজি অফিস খুব বিরক্তিকর জায়গা।
আমি তদন্ত বিল সাবমিট করার পর অ্যাকাউন্ট জেনারেল অফিসে গিয়েছিলাম সেটা পাস করানোর জন্য। প্রায় ২.৫ লাখ বিল এর জন্য ৩০০০ টাকা দিয়ে বিল পাস করাতে হয়েছে।
আমার চাকরীর একটি বকেয়া পাওনা ছিলো, যার পরিমান ১০০০০০০/-
আমার আব্বা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর আমার মা মাসিক পেনশন পান। আব্বা মারা যাওয়ার ২ বছর মায়ের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় বিধি মোতাবেক চিকিৎসাভাতা ২,৫০০/- টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস পেনশন আটকে রেখে ১০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করে। শেষে ২,৫০০/- টাকায় রফা হয়। ঘুষ পরিশোধ করার পর সব ফক ফকা, কোনো সমস্যা নেই আর।
যে কোন বিল পাশ করতে হলে ট্রেজারী অফিসে ৫% দিতে হবে বিলের। নাহলে বিল পাশ হবে না। চাকরিতে জয়েন করার পর থেকেই দেখছি এই নিয়ম চলে আসছে।শুধু আমাদের অফিস ৫% দেয় এমন না, সকল অফিস বিল পাশের জন্য ৫% দেয়।
চট্টগ্রাম ট্রেজারি অফিসে প্রত্যেক টেবিলে ফাইল গেলে ন্যূনতম ১০০ টাকা হলেও দিতে হবে। যে ফাইল পাশ করাবে সে কন্টাক্টের মাধ্যমে কাজ করায়। সবাই জানে। তবুও কিছু করার নাই। না দিলে ফাইল প্রসেস হয় না
আমার আম্মার NID তে নামের ভুলের কারনে পেনশনের টাকা আটকায় দিয়েছিল, পরে ৫ বছরের টাকা একসাথে দেবার সময় ৮ লাখ টাকা থেকে ১ লক্ষ তাদের কে দিতে হয়।
টাকা না দিলে ভুল তথ্য দিয়ে হেনস্তা বা স্কুলের এমপিও বন্ধ করে দিবে।
সেবাটি ছিল ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার জন্য , যেখানে অল্প পরিমান ইনক্রিমেন্ট এর জন্য এত টাকা দাবি করা হয়েছিল, অনেক অনুরোধ করার পরও তিনি রাজি হয়নি। পরবতীতে সেই পরিমান টাকা দিয়ে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করতে হয়েছিল।
আমার নিজের বেতন থেকে জমানো জিপিএফ এর টাকা ১ লক্ষ উত্তোলন করার জন্য আবেদন করার পর হিসাব রক্ষন অফিসের লোকজন চেক দিতে গড়িমসি করে। পরে ৫০০ টাকা দিয়ে চেক আনতে হয়েছে।
অগ্রিম বর্ধিত বেতন দাখিলের সময় বেতন অনুমোদনের জন্য উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা তার অফিস সহকারীর মাধ্যমে দাবি করেছিল
জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল থাকার কারনে পে ফিক্সেশন করাতে পারিনি। পরে সংশোধন করে এরিয়ার বিল করার সময় এক মাসের বেতন দাবি করে রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস।রাঙ্গুনিয়া শিক্ষা অফিস করে ২০০০। আমার মোট বকেয়া বিল ছিলো ৫২০০০/-। পরে ২০০০০/- ঘুস দিয়ে এই বিল এপ্রুভ করাতে হয়। রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের টাকা উত্তোলন করার সময় ২০০০/- ঘুষ দিতে হয়।জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে পে ফিক্সেশন করার জন্য ২০০০/- দিতে হয়। ফেনি হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের একাউন্ট করার জন্য ২০০০/- এবং নতুন বেতন বিল করার সময় ৫০০০/- । এরা হচ্ছে লেখক আবু ইসহাকের জোক।
সরকারি অফিসে অডিট করতে এসেছিল হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতাভুক্ত অডিট দপ্তর থেকে। সব ঠিক থাকলেও ৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে। না দিলে অযথা অডিট অবজেকশন দিয়ে হয়রানি করবে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে ঢুকে নিজের প্রথম বেতন করতে হলে পে ফিক্সেশন করা লাগে। মিষ্টি খাওয়ার টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘোরায়। এছাড়া যেকোনো প্রাপ্য টিএ ডিএ বিল তুলতে গেলেই মোট বিলের ৩-৫% পর্যন্ত দাবী করে। না দিলে হয়রানি। এটার প্রতিকার চাই।