সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৫৯৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
হিসাব রক্ষণ অফিস

GPF opening

কাশিয়ানী একাউন্ট অফিস GPF opening এর জন্যে ১৫০০ টাকা চেয়েছে

ঘুষ দিইনি
Gopalganj ৳১.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

অবসর উত্তর পেনশন ও আনুতোষিক নির্ধারণ।

একটি বাদ পড়া টাইম স্কেল বকেয়াসহ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন, যা আমার সঠিক প্রাপ্য ছিল। অন্যথায় বর্তমান অবস্থায় পেনশন ও আনুতোষিক দিবেন। আর তাতে চার পাঁচ লাখ টাকা বঞ্চিত হতাম।

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা শহর ৳২.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

সরকারি চাকুরিতে নতুন যোগদানকালে বেতন চালু ও আইবাস সফটওয়্যারে ডাটা এন্ট্রির জন্য

এটা শুধু আমি বলে কথা না, যেকোন সরকারি চাকুরিতে যোগদানকালে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১০০০-২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। আমি ও আমার সাথে যোগদানকৃত প্রায় ১০০ জন সকলেই গড়ে ১০০০ টাকা করে দিয়েছি। এই ঘুষের টাকাটা আবার ২ ভাগে ভাগ হয়৷ প্রথম ভাগ যায় নিজ নিজ দপ্তরের যারা এই কাজটি করে আর দ্বিতীয় ভাগ যায় হিসাবরক্ষণ অফিসে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

শ্রান্তি বিনোদন ভাতা অথবা এরিয়া বিলের টাকা উত্তোলনের সময় ঘুষ দাবি করে।

এরিয়া বিলের টাকা উত্তোলনের জন্য ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নালিশ করি।‌ তখন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ডিমলা উপজেলার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাকে ফোন করেন এবং বিষয়টি দেখতে বলেন। এর পর আমি আমার এরিয়া বিলের টাকা পেয়েছি কোনো ঘুষ ছাড়া।

ঘুষ দিইনি
ডিমলা উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস, নীলফামারী জেলা। ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

চাকরি সম্পর্কিত যে কোন কাজ।

আমরা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে উপজেলার এজি অফিসে যাই বেতন করাতে। ওখানে আমাদের মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা দাবি করা হয় ৫০০০ করে আমরা প্রথমে দিতে চাইনি। ওরা আমাদেরকে গালাগালি করে বলে চাকরি করা দেখিয়ে দিবো। তোদের প্রমোশন, ইনক্রিমেন্ট এর কাজ বন্ধ করে রাখবো।পরবর্তীতে আমরা ১৫০০ টাকা করে দিয়ে বেতন এর কাজ সম্পন্ন করাই। পরবর্তীতে প্রথম বছরের ইনক্রিমেন্ট এর কাজ এজি অফিসে করতে গেলে ১০০০০ টাকা দাবি করেন এজি কর্মকর্তা। আমরা তাকে ২০০০ টাকা দিয়ে চলে আসি সেখানেও তিনি হুমকি দেন। দুর্নীতির সবচেয়ে বড় আতুরঘর হলো সরকারি হিসাব রক্ষন অফিস গুলো এগুলোর দুর্নীতি বন্ধ করতে পারলে সরকারি খাতে বরাদ্দের দুর্নীতি একেবারেই অর্ধেকে নেমে আসবে।

ঘুষ দিয়েছি
গলাচিপা ৳১.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

ভাতা উত্তোলন

দিনগুলো করার জন্য অনেক দাবি করছিল ৫০০ টাকায় আমি দিয়ে দিয়েছি দ্রুত কাজটি করে দিবে তাই আমি দ্রুত কাজটি করার জন্য দিয়েছি করেন

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা ৳৫০০
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

হাতিয়া উপজেলা প্রশাসন

টিসিবির ডিলার নিয়োগ দিয়েছে ১৬ জন প্রতিজন থেকে ২ লক্ষ্য টাকা করে নিয়েছে ক্যাশ।

ঘুষ দিয়েছি
হাতিয়া ৳৩.২০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

বেতন, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, জিপিএফ

যেহেতু বিষয়টি অফিশিয়াল তাই এটি কখনো জনসম্মুখে আসে না।প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী এটি পরিশোধ করে। প্রত্যেকটি এজি অফিসে বেতন, জিপিএফ, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, বদলি পরবর্তী বেতন চালু, সহ সকল কাজের জন্য ঘুষ নেওয়া হয় নয়তো এ কাজগুলো ঝুলিয়ে রাখা হয় মাসের পর মাস। যেগুলো রিপোর্টেরও কোন সুযোগ নেই, রিপোর্ট করলে প্রতিষ্ঠানসহ কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন বন্ধ।

ঘুষ দিয়েছি
বাংলাদেশের সকল অ্যাকাউন্টস জেনারেল অফিস। ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

সরকারি বিল, বেতন সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ

তারা সরকারি কর্মচারিদের বেতন, পে ফিক্সেশন করে। নতন চাকরি হলে পে ফিক্সাশন করতে,বদলী হলে এলপিসি নিতে গেলে তাদেরকে ১০০০,২০০০ টাকা সম্মানি দিতে হয়। এটা সবার ক্ষেত্রে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

বেতন,ইনক্রিমেন্ট কাজ করতে

টাকা ছাড়া আমার ইনক্রিমেন্ট এড করবে না।ফাইল বহুদিন ফালায় রাখছে,এবং বকেয়া বেতন তুলতে টাকার পারসেন্টজ দাবি করে।তাছাড়া কাজ করবে না,বাধ্য হয়ো ঘুষ দিতে হইছে।২ মাস ফাইল ফেলে রেখেছে, টাকা না দেয়ায়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

সরকারি চাকরিতে প্রাপ্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের সাথে সংযুক্ত করতে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে

আমরা একটি সরকারি অফিসের 40 জন এর সরকারি চাকরিতে প্রাপ্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের সাথে সংযুক্ত করতে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করলে সেই অফিসের কর্মকর্তা আমাদের প্রত্যেকের কাছে 5000 টাকা চায়। আমরা এই টাকা দিতে নারাজ হলে তারা হুমকি দেয় যে আপনাদের কারও ইনক্রিমেন্ট সংযুক্ত হবে না।

ঘুষ দিইনি
দিনাজপুর ৳২.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

প্রশিক্ষনের বি

প্রশিক্ষনের বিল বাবদ অফিস থেকে ৪৫০০০০ টাকার বিল অধিদপ্তরের অফিস থেকে এজি অফিস স্ট্যাফের মাধ্যমে যায়।বিল দেবার জন্য নূন্যতম ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরিচিত দেখে কম রাখার দাবি করে। পরিশোধ করা মাত্র বিল পাশ হয়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

সরকারি অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে ঠিকাদারী বিল, কর্মকর্তা কর্মচারী টিএ বিল,

আঞ্চলিক হিসাব দপ্তর, ওয়েস্ট জন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রতিষ্ঠান এর বরিশালের প্রধান ম্যানেজার — টাকা ছাড়া কোন কোন ঠিকাদারের ফাইল ছারেনা।বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিএ টিএ বিল ছুটি বিক্রি ও অফিসের বিভিন্ন নোটের জন্য তিনি টাকা আদায় করুন। সহায়তা করে হিসাবরক্ষক —, ও —। এই — অত্যাচার পুরা বরিশালের বিদ্যুৎ অফিস অতিষ্ঠ। তাদেরকে টাকা না দিলে ১৮ টি অফিসের সফল কাজ বন্ধ করে দেয়। মানুষের বেতন বেতাও বন্ধ করবে জানায়।

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল ৳২০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

জিপির হিসাবে গরমিল

জিপির হিসাবে গড়মিল ছিল। এটি সমন্বয় করা ও সঠিক হিসাব মেলানো এর জন্য টাকা চাওয়া হয়েছিল। টাকা ছাড়া কোনো ভাবেই কাজ হবে না। না হয় আমাকে ঢাকা যাওয়ার জন্য বলা হয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
পাকুন্দিয়া ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

Bill

5% ghus any Legal bill and amount

ঘুষ দিয়েছি
Gazipur ৳১০.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

বিল

বিলের জন্য সরাসরি দাবি করেছে

ঘুষ দিইনি
দৌলতখান ৳৪০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

বেতন ভাতা বিল ও চাকুরী সংক্রান্ত কোন কাজের জন্য তাদেরকে প্রকাশ্যে ঘুষ দিয়ে হয়

বেতন ভাতা বিল ও চাকুরী সংক্রান্ত কোন কাজের জন্য তাদেরকে প্রকাশ্যে ঘুষ দিয়ে হয়। সারা বাংলাদেশ FC, AFC office

ঘুষ দিইনি
সারা বাংলাদেশ ৳২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

টিএ ডিএ বিল

এফসি অফিসে যেকোনো টি এডি এ নিতে গেলে বিলের যে টাকা আসে তার ২০ শতাংশ ঘুষ দিতে হয় না দিলে বিল বছরের পর বছর ঝুলে থাকে, নিয়ম অনুযায়ী চলতে থাকে কখনোই পাওয়া যায় না।

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল ৳২.৬ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
হিসাব রক্ষণ অফিস

বৈধ টিএ ডিএ দাবী

আমি একজন সামরিক বাহিনীর সদস্য, আমাদের স্বাভাবিক বদলি হলে আমরা এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় যোগদান করার পরে টিএ (ট্রাভেল এলাউন্স) ও ডিএ (ডেইলি এলাউন্স) সংশ্লিষ্ঠ এফ সি (ফাইনান্স কন্ট্রোল) এ চিঠি পাঠাই, সেইখানে দুরুর্ত, কত দিন , সকল নথি উপস্থাপন করা হয় । কিন্তু অডিটরগন ইচ্ছাকৃতভাবে সেই ফাইল আটকে রাখেন। পরবর্তীতে যোগাযোগ করা হলে তারা দাবীকৃত টিএ ডিএ এর ১০% ঘুষ দাবী করেন। যা ১০ হাজার থেকে শুরু করে যত টাকা দাবী করা হয়েছে তার উপর নির্ভর করে । আপনি সারা জীবন সরকারী চাকুরী করে সরকার থেকে যদি ২০ লক্ষ টাকা পেনশন পান , সেইখান থেকেও তারা ১-২ লক্ষ টাকা দাবী করবে । সরকারী ফিনান্স কন্ট্রোল বোর্ডের সকল অডিটর এই ঘুষ বানিজ্যের সাথে জড়িত , যা সকল সামরিক বাহিনীর অফিসার জানেন। কিন্তু আওয়াজ তোলার কেউ নেই ।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬ ১১
হিসাব রক্ষণ অফিস

GPF Fund Updated

আমি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সার্জেন্ট পদে কর্মরত। ঢাকা বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের নিকটবর্তী কাফা অফিস থেকে আমাদের বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দুঃখজনক বিষয় হলো, সেখানে নিয়মিত দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্যও আমাদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করা হয়। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও হতাশাজনক। শুধু জুনিয়র সদস্যরাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তারাও একই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হন এবং কাজ সম্পন্ন করার জন্য অর্থ প্রদান করতে বাধ্য হন। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জানানো বা সমাধানের চেষ্টা করেও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনিয়মটি যেন একটি স্বাভাবিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে পরি

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩০০
২৫ আগস্ট ২০২৬