নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতি ১লাখ টাকায় বিল পাশের জন্য ---- হিসাবরক্ষণ অফিসের রেট নিম্নরূপ : অডিটর ২০০/- সুপার : ২০০/- হিসাবরক্ষণ অফিসার : ৫০০/- যিনি চেক লিখেন তার পাওনা: ১০০/- এই টাকা দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিল পাস হয়ে যায়। কম দিতে চাইলে বিভিন্ন কাগজপত্রের অজুহাতে কয়েক দিন ঘুরায়।
জিপিএফ হতে কিস্তি উত্তোলনে দেয়া হয়েছে।
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এফসি আর্মি লগ অফিসে ঠিকাদারি বিল সহ যেকোন বিল পাশ করাতে ০. ৮% করে টাকা দিতে হয়। অফিস সহায়ক থেকে অফিস প্রধান সবাই ভাগ পেলে বিল পাশ করায় অন্যথায় বিল ফেরত দিয়ে দেয়। অভিযোগ জানালেও কাজ হয়না।
পেনশন ভাতার আবেদন করা হয়েছিল।
সেনাবাহিনীর চাকরির শেষে অবসর গ্রহণের প্রাক্কালে এলপিআর, ডিএসপি ফান্ড, সঞ্চিত ছুটির হিসাব চূড়ান্তকালে এফপিও অফিস কর্তৃক বিভিন্ন দেনার কথা বলে এবং অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘুষ চাওয়া হয়। এতে অস্বীকৃতি জানালে তার পেনশন কমিটেশনের পাওনা হিসাব থেকেবিভিন্ন দেনা আছে বলে কর্তন করে চূড়ান্ত হিসাব করে। এত করে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার একাউন্টস অফিস অন্য যেকোনো সরকারি অফিসে সরকার কতৃক বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলনের সময় তারা বরাদ্দকৃত অর্থের ৫% হারে কমিশনের নামে ঘুষ নেয়,এটা পুরো উপজেলায় ওপেন সিক্রেট,অর্থাৎ অন্য সরকারি অফিস থেকে সরকারি বরাদ্দকৃত যেকোনো এমাউন্টের টাকা তুলতে গেলেই তাদেরকে সেখান থেকে ৫% বাধ্যতামূলকভাবে দিতেই হয়,নয়তো তারা ফাইল মুভ করেনা,তাই অন্য সরকারি অফিসগুলোর ক্ষেত্রে টাকা উত্তোলনের স্বার্থে একাউন্টস অফিসকে ৫% কমিশন দেয়া ছাড়া উপায় থাকেনা,যার ফলে সেসব অফিসের অর্থের পরিমান কমে যায়,এবং যেকাজে বরাদ্দ আসছে সে কাজ পরিপূর্ণভাবে করা সম্ভব হয়না।
ভ্রমণভাতার ৫% হারে এজি অফিস, গাজীপুরকে দেওয়া লাগে। অফিসটি গাজীপুর ডিসি অফিসের ভেতর।
paid for LPC in every transfer
বদলির জন্য এলপিসি পাঠাতে টাকা না দিলে গড়িমসি করেন।
আমি অত্র জেলায় নতুন যোগদান করার পরে আমার বেতন চালু করার জন্য কয়েকবার হিসাবরক্ষন অফিসে গেলে তারা নানান টালবাহানা করে বলে এলপিসি আসে নাই, হ্যান ত্যান। কিন্তু আমার পূর্বের কর্মস্থল থেকে জানায় তারা এলপিসি পাঠিয়েছে। এই অবস্থায় আমি প্রায় ৩ মাস বেতন পাই নাই। পরে তাদের দাবিকৃত ১০০০ টাকা পরিশোধ করার পরে আমার বেতন চালু হয়েছেন
শ্রান্তি বিনোদন এর টাকা উত্তলন বাবদ ২৫ জনের প্রত্যেকে ২০০ টাকা করে দিতে হয়েছে।
Ami ghuser jonnow 200000 taka sorboses dite cheyesi..kintu tara 500000 na dewar karone file ta audit appotti diye juliye dei.. ar sei pension file ti niye ajke prai 7 bosor jabot gurtesi ..er moddhe abba intekal korse ..akhon gale boltese apnar abba beche thakle korte partam.. akhon tara 50/50 ei vabe ghush niye kaj korte chaitese..
পিওনকে টাকা না দিলে কথা-ই বলা যায় না
প্রথমে অডিটর ১০০০০ টাকা চায়।৬০০০ দিয়ে আসি কাজ শেষে ৪০০০ দিবো। তারপরেও অনেক দিন সময় লাগায়। কাজ শেষে ৫০০০ নেয়। আবার বড় অফিসার ৫০০০ নেয়।
LPC গ্রহণ ও প্রদানের জন্য ১০০০ টাকা সম্মানী প্রদান করতে হয়েছে।
বিল উত্তোলনের জন্য ট্রেজারি অফিসে প্রয়োজনীয় MB Book ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিলের টাকা উত্তোলনের জন্য প্রতি ১ লাখ টাকায় ১০০ টাকা প্রদানের দাবি করা হচ্ছে। উক্ত টাকা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানালে MB Book ও চেক প্রদান করা হচ্ছে না। ফলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও আমার বিলের টাকা উত্তোলন করতে পারছি না এবং পেমেন্ট প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আমি রাউজানে একটা সরকারি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে চাকরি করি। চাকরিতে প্রথম পে ফিক্সেশন করার সময়, হিসাব রক্ষন অফিস ফিক্সেশন না করে ফাইল আটকিয়ে রাখে। পে ফিক্সেশন করা এটা একটি বিনা ফি তে করা সরকারি কাজ। কিন্তু আমরা যারা জয়েন করেছি সবার থেকে ২০০০ টাকা করে ঘুষ নিয়েছে এই কাজের জন্য। আমাদের অফিসে এই যাবত যারাই জয়েন করেছে সবার কাছ থেকে এভাবে ঘুস নিয়েছে। আমরা আরো খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, শুধু আমাদের অফিস না, সম্পূর্ন রাউজানে যারাই সরকারি চাকরিতে জয়েন করেন, সবার কাছ থেকে হিসাব রক্ষন অফিস পে ফিক্সেশনের জন্য ঘুষ নেই।
জিপিএফ, ছুটির ও পেনশনের হিসাব সম্পন্ন করা।
পেনশনার ভাতা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। লাইভ ভেরিফিকেশন করতে।
আমি রাউজানে একটা অফিসে সরকারি অফিসার৷ সরকারি ট্রেনিং এ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়৷ এই সব ট্রেনিং এ কিছু গাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা দেওয়া হয়। এসব ভাতা অনলাইনে আইবাসে আবেদন করতে হয়, বিলটা পাশ হলে তারপর এই ভাতা পাওয়া যায়। কিন্তু হিসাবরক্ষণ অফিস ঘুষ না দিলে এই বিল পাশ করে না। প্রত্যেক বিলের জন্য কমপক্ষে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। বিলের টাকা হিসাব করে এই ঘুষের পরিমাণ নির্ধারণ করে তাড়া। না দিলে মাসের পর মাস এই বিল আটকিয়ে রাখবে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়। এদের সাথে আমাদের অফিসের একাউন্টস শাখার লোকও জড়িত। খবর নেওয়া দেখা গেছে, সম্পূর্ণ রাউজানে এভাবে করে হিসাবরক্ষন অফিস।