সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৭৩২ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
শুধু দাবি করেছে হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১.০০ লাখ

পেনশন পেতে

আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। চাকরি শেষ করে পেনশন চালু করতে ১০০০০০ টাকা দাবি চরফ্যাশন উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর

চরফ্যাশন, ভোলা, বরিশাল, বরিশাল ২৫ আগস্ট ২০২৬ ২২ বার দেখা হয়েছে BR6ZU7E5
০ মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১.০০ লাখ

পেনশন পেতে

আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।বাবার চাকরি শেখ তাই পেনশন এ গেছে।পেনশনের টাকা তোলা এবং মাসিক পেনশন চালু করতে চরফ্যাশন উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস এর অডিটর — ১০০০০০ টাকা চাচ্ছে। নাহলে কাজ করবে না

চরফ্যাশন, ভোলা, বরিশাল, বরিশাল ২৫ আগস্ট ২০২৬ ২১ বার দেখা হয়েছে BRTK8NPP
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১.০ হাজার

Pay Fixation

নতুন চাকরিতে যোগদানের পর বেতন চালু করতে হিসাবরক্ষণ অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছিল । এছাড়াও ভ্রমণ ভাতা বিল তোলার জন্যও তাদের ঘুষ দিতে হয় ।

Bakshiganj Jamalpur, ময়মনসিংহ ২৫ আগস্ট ২০২৬ ২৪ বার দেখা হয়েছে MYWXXEV7
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১.০ হাজার

চাকরির পে-ফিক্সেশন

আমরা নিজেরা নতুন চাকরির পে-ফিক্সশন করলে অযথা ভুল ধরত, যার জন্য ঐখানে আউটসোর্সিং এ চাকরিরত একজন টাকা দাবি করে এবং নেয়

তেঁতুলিয়া, রংপুর ২৫ আগস্ট ২০২৬ ২৫ বার দেখা হয়েছে RNZWV548
০ মন্তব্য
ঘুষ দিইনি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৫.০০ লাখ

Bill release from FC

All of our Government product sell and service bill need to pass from FC ( Finance control). They do not pass not a single bill without gush. It may be .5% to 1% of total bill. Bangladesh Government and all agencies known this very well.

Shegun bagicha. Dhaka, ঢাকা ২৫ আগস্ট ২০২৬ ২৩ বার দেখা হয়েছে DKJJFQK3
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৭০.০ হাজার

Advance increment due bill

যাদের মাস্টার্স এ প্রথম শ্রেণি আছে তারা ২ টি Advance increment পাবে বলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় মাউশি থেকে। গেজেট তালিকায় নিজেদের নাম প্রকাশ করতে মাউশিকে ১ম ধাপে দিতে হয়েছিল ১৩×৫= ৬৫ হাজার টাকা। এরপর বাজেট নেওয়ার জন্য মাউশিকে ২য় ধাপে দিতে হয়েছিল ১৫০০০ টাকা নাস্তা বাবদ। এর পর Account office - Lalmonirhat বিল ছাড় দিতে দাবী করে ৯০০০০ টাকা। তবে শেষ পর্যন্ত ৭০,০০০ টাকায় তারা রাজি হয়। উল্লেখ্য আমরা ১৩ জন শিক্ষক মিলে এই অর্থ প্রদান করি। উল্লেখ্য যে ৪২০০০ টাকা পেতে আমার ব্যক্তিগত খরচ হয়েছিল ১০০০০ + টাকা

Lalmonirhat, রংপুর ২৫ আগস্ট ২০২৬ ২৪ বার দেখা হয়েছে RNLKJUQ7
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৩০.০ হাজার

পেনশন

পেনশন টাকা উত্তলন করতে গেলে ৫০ হাজার লাগবে বলছে পরে ৩০ হাজার না দিলে দিবে না। বিভিন্ন সমস্যা দেখায় কিন্তু কোনো সমস্যা নেই কাগজপত্র সব ঠিক আছে।

কানাইঘাট, সিলেট ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১ বার দেখা হয়েছে SY9FH48V
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১.৫ হাজার

যে কোন বৈধ বিল উত্তোলনের

সাধারণ ভ্রমণ বা বদলিজনিত ভ্রমণ ও আনুষঙ্গিকসহ সকল প্রকার বৈধ বিলে এজি অফিসকে ০৫ শতাংশ অর্থ ঘুষ দেয়া লাগে। এখনো পর্যন্ত এই প্রহসনের বিষয়ে কেউ কোন ব্যবস্থা নিতে পারে নাই। দেশের সবচেয়ে দূর্নীতিগ্রস্থ ডিপার্টমেন্ট হল হিসাবরক্ষণ অফিস কিন্তু এটি সবসময় ধরা-ছোঁয়ার বাহিরে থাকে।

রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩ বার দেখা হয়েছে CTR6GA7B
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১০.০ হাজার

রিটায়াররমেন্ট পেশনশনের বিল

বিল পাওয়ার পর মিস্টি খাওয়ার টাকার জন্য আবেদন করেছিলো হাজার দশেক টাকার

লালমনিরহাট, রংপুর ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১ বার দেখা হয়েছে RN2C6M7E
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৫.০ হাজার

সরকারি বিল পাশ

প্রতিটা সরকারি বিল এ তারা ৩-৫% ঘুষ নিয়ে থাকে। এর কোন প্রতিকার নেই কেন?

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা, চট্টগ্রাম ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১ বার দেখা হয়েছে CT9FX9S3
০ মন্তব্য
ঘুষ দিইনি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১৪.০ হাজার

কল্যাণ তহবিলের আবেদন

ময়মনসিংহ কল্যাণ অফিস আমার বাবা মারা যাওয়ার পর কল্যাণে টাকা পাওয়ার জন্য গিয়েছিলাম, উনারা এমন ভাবে প্রসেস গুলো উপস্থাপন করে, যাতে করে আমি ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজগুলো নিজে না করে উনাদের কাছে দেই, সহযোগিতা না করে ভয় দেখিয়ে টাকা দিয়ে কাজ করাতে চায়।

Mymensingh, ময়মনসিংহ ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৪ বার দেখা হয়েছে MYECDXR9
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১০.০ হাজার

মায়ের পেনশন ফেইস ভেরিফিকেশন।

ফেইস ভেরিফাই সক্রিয় করতে গিয়ে টাকা দাবি করেছিলো।। পরে অন্য পরিচিত আরেকজন কে লাগিয়ে ১০০০/টাকা দিয়ে কোন ভাবে বুঝিয়ে দিয়ে আসলাম, অথচ এটা সরকারি ভাবে সম্পূর্ণ ফ্রি।।

রাজনগর, মৌলভীবাজার, সিলেট ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩ বার দেখা হয়েছে SYRL45VA
০ মন্তব্য
ঘুষ দিইনি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১০.০ হাজার

Bill processing purpose

সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে সাপ্লাই করা পন্যের বিল পাস করতে আর্মি এসএফসি থেকে বিল পাশ করতে হয়। সেখানে বিভিন্ন রকম হয়রানির সম্মুখীন হতে হয় প্রতিনিয়ত। মোট বিলের ১% টাকা ঘুষ না দিলে সেই বিল আর পাশ হয়না। সেখানে কর্মকর্তাগন নিজেদের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী মনে করে সবসময়। টাকা ছাড়া কোনো বিল পাশ হয়না।

Dhaka, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৫ বার দেখা হয়েছে DK525K9Q
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৫.০ হাজার

আটকে থাকা বেতন তোলা

বেতন আটকে ছিলো। বেতন যেখানে তাদের মানবিক কারনে হলেও কাজ দ্রুত করে পরিশোধ করার কথা, ৭ মাসের বেতন তোলার জন্য ৫০০০/- দিতে হয়েছে। বাধ্য হয়েছি দিতে। আরও অর্থ দাবি করতে পারে। বেতন এখনো পাওয়া যায় নাই।

ঢাকা, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০ বার দেখা হয়েছে DKZVB9N4
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৫.০ হাজার

এলপিসি, আনুষঙ্গিক বিল, ফিক্সেশন, পেনসন,অবসর সুবিধা, জিপিএফ উত্তোলন

প্রথম বেতন লাগানো, এলপিসি, শ্রান্তি বিনোদন, অফিসের আনুষঙ্গিক বিল উত্তোলন ৫% ছাড়া বিল পাস করে না। নানা অজুহাত দেখায়, ভুলভাল বের করে। সবাই সিন্ডিকেট করে। কেউ কোন সমাধান দেয় না। মানুষকে সম্মান করে না। সব হিসাব রক্ষন অফিসের একই চিত্র।

দিনাজপুর, রংপুর ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২২ বার দেখা হয়েছে RN7JUPUK
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳২.০ হাজার

পে ফিক্সেশন

চাকরিতে যোগদানের পর বেতন করার জন্য জন প্রতি ২০০০/- দিতে হয়েছিল। পরবর্তীতে জিপিএফ এর একাউন্ট খোলার জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।

ঢাকা, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০ বার দেখা হয়েছে DKJVG78X
০ মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳৩.০ হাজার

চাকরী হতে অব্যাহতি নেয়ার জন্য

চাকরী হতে অব্যাহতি নিয়ে অন্য চাকরীতে যোগদান করার সময় ৩০০০টাকা দাবী করে বসে হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর মহোদয় চা মিস্টি খাওয়ার জন্য। না হলে কাজ দেরী হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। টাকা দিয়ে অব্যাহতি বাবদ অফিসের সকল লেনদেন সমাপ্ত করি।

ঢাকা, ঢাকা ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২০ বার দেখা হয়েছে DK72DJKD
০ মন্তব্য
ঘুষ দিইনি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১৫.০ হাজার

পেনশনের কাজের জন্য ট্রেজারি অফিস ও নির্বাচন অফিস

আমার বাবা মারা যাওয়ার পর আমার মা তাঁর পেনশন পেয়ে আসছেন। EFT চালুর পর NID-তে নামের অসামঞ্জস্যের কারণে তাঁর পেনশন বন্ধ হয়ে যায়। গাইবান্ধা ও রংপুর নির্বাচন অফিসে প্রায় তিন বছর হয়রানি ও ভোগান্তির পর NID-এর ভুল সংশোধন করা হয়। এরপর মায়ের পেনশনের ফাইল প্রক্রিয়া করতে সাদুল্লাপুর ট্রেজারি অফিসের কর্মকর্তারা ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে ঢাকার সেগুনবাগিচা কেন্দ্রীয় পেনশন অফিসে যোগাযোগ করলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা কোনো টাকা ছাড়াই সমস্যার সমাধান করেন। এছাড়া সাদুল্লাপুর নির্বাচন অফিসে NID-এর কাগজপত্র জমা দিতেও ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি ও অবৈধ অর্থ আদায়ের এসব ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।

সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা, রংপুর ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২২ বার দেখা হয়েছে RNFLEZGW
০ মন্তব্য