NAVY এর সাধারণ সোলজারদের জিপিএফ থেকে অর্থ উত্তোলন, পেনশনাদের এলপিসি ইস্যু করতে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না
NAVY এর সাধারণ সোলজারদের জিপিএফ থেকে অর্থ উত্তোলন, পেনশনাদের এলপিসি ইস্যু করতে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
NAVY এর সাধারণ সোলজারদের জিপিএফ থেকে অর্থ উত্তোলন, পেনশনাদের এলপিসি ইস্যু করতে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না।
পে ফিক্সেশনের জন্য উল্লেখিত অফিসে গেলেই মিস্টি খাওয়ানোর জন্য আকারে-ইঙ্গিতে টাকা দাবি করে কিন্তু টাকা না দেওয়ায় দীর্ঘ ৫ মাস বেতন ধরাতে পারিনি। এমতাবস্থায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর পরিচিত এক অফিসারের রেফারেন্সে অন্য একজন অফিসার আমার কাজটি করেন কিন্তু আমার কাজের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার কাজটি করেন নি।
আমার বাবা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে মেকানিক হিসেবে সরকারি চাকরি করতেন, বাবা অবসরে যান যাওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন , উনি যে পেনশনটা পেতেন মায়ের নামে করার জন্য হিসাবরক্ষন অফিসে যাই যাওয়ার পর আমাকে বিভিন্নভাবে এটা বলে সেটা বলে আজকে ৫০০ কাল ২০০ এ প্রথমদিকে টাকা নেয়। পরে আমি প্রায় এক মাস ঘোরাঘুরি করলাম, আমি তাদের কাছে অনুরোধ করলাম যে, সামনে আমার বি সি এস পরীক্ষা আছে আমাকে মেসে যেতে হবে, দয়া করে আমার কাজটা করে দেন, তখন ওনারা আমার কাছ থেকে 5000 টাকা দাবি করে আমি 5000 টাকা দেই। ওই সময় আমি ছিলাম অসহায়, নিরুপায় আমার বাবা কয়েকদিন আগে মাত্র মারা গেছে অথচ আমি এখানে দৌড়াদৌড়ি করতেছি এবং পেনশনও বন্ধ আছে। কি একটা অবস্থা, পরে বাধ্য হয়ে আমি পাঁচ হাজার টাকা দেই আমার কাজটা করে দেয়।
টিকাদারি বিল পাওয়ার জন্য ঢাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাবরক্ষণের অফিসকে .০০৪% হারে প্রতি বিলের উপর ঘুষ দিতে হয়।
ঠিকাদারি বিল লালমনিরহাট হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দিলে অডিটর ফেলে রাখে। প্রতি লক্ষ টাকায় ২০০/- করে টাকা দিলে চেক করে দেয়। হররানির শেষ নাই।
বাবার মৃত্যুর পর মায়ের নামে পেনশন করাতে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার।অবশেষে টাকা দিয়ে কাজটা করানো হয়েছে।
Taka chara payfixition r increment hoy na onek hoyrani korche bar bar jete hoyche ba call dite hoyce specially feni Polytechnic, computer Institute, tsc er teacher niyog howar por join kori tar por dekhi emon citro.
বকেয়া বেতন ছাড়ের জন্য ৪% দিতে হয়েছে।
আমি এসএসসি (SSC) এবং এইচএসসি (HSC) পাস করার পর সার্টিফিকেট তোলার সময় স্কুল এবং কলেজে ২০০ টাকা করে কেরানিকে ঘুষ দিতে হয়েছিল।
সরকারী উন্নয়নমূলক কাজ বাবদ অর্থ উত্তোলনের সময় ৫ পারসেন্ট না দিলে বিল পাশ করেনা
আমার নিকট আত্মীয় মারা গেলে তার স্ত্রীর পারিবারিক পেনশনের জন্য কাগজপত্রসহ অফিসে যাই। আমার কাছে ৫০০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমি ৩০০০০ দেই। পারিবারিক পেনশন পাশ করে দেওয়া হয়। কিন্তু টাকা কম দেওয়ার কারণে আজও ২ মাসের বকেয়া পরিশোধ করা হয়নি!
আব্বা মারা যাওয়ার পর আম্মার নামে পারিবারিক পেনশান এর ব্যবস্থা করা হয়।প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ১৮ মাস মত দেরি হয়ে যায়।এই ১৮ মাসে প্রায় ১৬০০০০/- টাকা মত পেনশান বকেয়া খাতায় জমা হয়।হিসাব রক্ষণ অফিসে বারবার যেতে যেতে যিনি ফাইলের কাজ করছিলেন উনার সাথে একটি ভাল সম্পর্ক হয়ে।যে দিন কাজটি করে দিবেন সে দিন ২০০০০/- টাকা দাবি করেন।আমি অবাক হয়ে যায়।পরে উনার অফিসে আমার পরিচিত একজন মধ্যস্থতা করে ৫০০০/- টাকায় সেটেল করি।আমার পকেটে তখন ছিল ৩০০০/- টাকা,মধ্যস্থতাকারির কাছ থেকে ২০০০/- টাকা ধার নিয়ে তৎক্ষণাৎ দাবিকৃত ৫০০০/- টাকা পরিশোধ করি। উল্লেখ্য,আমার আব্বা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
মন্ত্রণালয় থেকে আমার অতিরিক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য অগ্রীম ইনক্রিমেন্ট এর অর্ডার হয়েছিল, সেটা আইবাসে যোগ করার জন্য অর্থ চাওয়া হয়েছিল।আমি নারাজী হওয়ায় সেবাটি পায় নি।আমার ব্যাচের অন্যরা যদিও পেয়েছে।
সম্প্রতি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরকে চাকরিতে যোগদানের আগে মাস্টার্স ডিগ্রি করা থাকলে সেটার জন্য ইনক্রিমেন্ট দেয়া হচ্ছে। যোগদানের দিন থেকেই কারা কয়টি অ্যাডভান্স ইনক্রিমেন্ট পাবে তা মাউশির ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে। সেই হিসাবের টাকা তুলতে গেলে মাথাপিছু শিক্ষকদের কাছ থেকে ২-৩ হাজার করে টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা না দিলে নানা বাহানায় ঘোরাচ্ছে দিনের পর দিন।
২০১৬ সালের কথা, বাবা যেখানে চাকরি করতো তার নাম শুনলে সবাই ভয়ে কাপতো, সমীহ করতো, সেটা হাইকোর্ট। তবে পেনশন এর পর এজি অফিসে গিয়ে দেখি উলটো চিত্র। সেখানে সবাই টাকা কেই সমীহ করে। অনেক দিন ঘোরাঘুরি চেষ্টা করেও যখন লাভ হচ্ছিলো না। একজন অবসরপ্রাপ্ত কলিগ বললেন টাকা ছাড়া হবে না। তখন কয়েক টেবিল মিলিয়ে ৫০হাজার টাকা বিলিয়ে পেনশন এর চেক পাওয়া গিয়েছিলো। আমি বাবাকে বলেছিলাম গোপনে ভিডিও করি। তিনি কোনো উত্তর দেন নাই।
বকেয়া বিল করা হয়েছিল, বিল ছারের জন্য টাকা চায়, দর কষাকষি করে পঞ্চাশ হাজারের বিনিময়ে ছাড় হয়।
পেনশন বিল আটকে দেওয়ার জন্য
আমি ডিপিএড এর স্কেল সাভির্সবুকে এন্ট্রি করতে চেয়েছিলাম এবং ফিক্সেশন করতে চেয়েছিলাম। তখন হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর মহোদয় অর্থ দাবি করেন। তিনি একা নন তার সাথে হিসাবরক্ষণ অফিসারও ছিলেন।।আমি টাকা দিয়ে আমার কাজ সম্পন্ন করি।
পোস্টিং হয়েছিল রাজশাহীতে ১ মাস পরে ঢাকা গেলাম এলপিসি রেডি করে হাতে দিবে চাইলো ১৫০০/- টাকা আমি বললাম থাক লাগবে না কবে পাঠাবেন তবেই নিবো.. পরে ২.৫ মাস পরে পাঠিয়েছে
ঠিকাদারি বিলে দাবি করা হয় প্রতি এক লক্ষ টাকায় ২০০ টাকা