17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি বদলি জনিত কারণে আমার শেষ বেতনের প্রত্যয়ন পত্র নিতে গিয়েছিলাম, ওরা বলে ২৫০০ টাকা দিলে ২,দিনের মধ্যে দিয়ে দেবে, অন্যথায় ওদের হাতে অনেক কাজ আছে, সিরিয়াল অনুযায়ী দেবে,কিন্তু আমি দেখলাম ওরা ফ্রী আছে।
কাশিয়ানী একাউন্ট অফিস GPF opening এর জন্যে ১৫০০ টাকা চেয়েছে
আমরা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে উপজেলার এজি অফিসে যাই বেতন করাতে। ওখানে আমাদের মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা দাবি করা হয় ৫০০০ করে আমরা প্রথমে দিতে চাইনি। ওরা আমাদেরকে গালাগালি করে বলে চাকরি করা দেখিয়ে দিবো। তোদের প্রমোশন, ইনক্রিমেন্ট এর কাজ বন্ধ করে রাখবো।পরবর্তীতে আমরা ১৫০০ টাকা করে দিয়ে বেতন এর কাজ সম্পন্ন করাই। পরবর্তীতে প্রথম বছরের ইনক্রিমেন্ট এর কাজ এজি অফিসে করতে গেলে ১০০০০ টাকা দাবি করেন এজি কর্মকর্তা। আমরা তাকে ২০০০ টাকা দিয়ে চলে আসি সেখানেও তিনি হুমকি দেন। দুর্নীতির সবচেয়ে বড় আতুরঘর হলো সরকারি হিসাব রক্ষন অফিস গুলো এগুলোর দুর্নীতি বন্ধ করতে পারলে সরকারি খাতে বরাদ্দের দুর্নীতি একেবারেই অর্ধেকে নেমে আসবে।
দিনগুলো করার জন্য অনেক দাবি করছিল ৫০০ টাকায় আমি দিয়ে দিয়েছি দ্রুত কাজটি করে দিবে তাই আমি দ্রুত কাজটি করার জন্য দিয়েছি করেন
টিসিবির ডিলার নিয়োগ দিয়েছে ১৬ জন প্রতিজন থেকে ২ লক্ষ্য টাকা করে নিয়েছে ক্যাশ।
যেহেতু বিষয়টি অফিশিয়াল তাই এটি কখনো জনসম্মুখে আসে না।প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী এটি পরিশোধ করে। প্রত্যেকটি এজি অফিসে বেতন, জিপিএফ, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, বদলি পরবর্তী বেতন চালু, সহ সকল কাজের জন্য ঘুষ নেওয়া হয় নয়তো এ কাজগুলো ঝুলিয়ে রাখা হয় মাসের পর মাস। যেগুলো রিপোর্টেরও কোন সুযোগ নেই, রিপোর্ট করলে প্রতিষ্ঠানসহ কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন বন্ধ।
এরিয়া বিলের টাকা উত্তোলনের জন্য ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নালিশ করি। তখন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ডিমলা উপজেলার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাকে ফোন করেন এবং বিষয়টি দেখতে বলেন। এর পর আমি আমার এরিয়া বিলের টাকা পেয়েছি কোনো ঘুষ ছাড়া।
এটা শুধু আমি বলে কথা না, যেকোন সরকারি চাকুরিতে যোগদানকালে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১০০০-২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। আমি ও আমার সাথে যোগদানকৃত প্রায় ১০০ জন সকলেই গড়ে ১০০০ টাকা করে দিয়েছি। এই ঘুষের টাকাটা আবার ২ ভাগে ভাগ হয়৷ প্রথম ভাগ যায় নিজ নিজ দপ্তরের যারা এই কাজটি করে আর দ্বিতীয় ভাগ যায় হিসাবরক্ষণ অফিসে।
টাকা ছাড়া আমার ইনক্রিমেন্ট এড করবে না।ফাইল বহুদিন ফালায় রাখছে,এবং বকেয়া বেতন তুলতে টাকার পারসেন্টজ দাবি করে।তাছাড়া কাজ করবে না,বাধ্য হয়ো ঘুষ দিতে হইছে।২ মাস ফাইল ফেলে রেখেছে, টাকা না দেয়ায়।
তারা সরকারি কর্মচারিদের বেতন, পে ফিক্সেশন করে। নতন চাকরি হলে পে ফিক্সাশন করতে,বদলী হলে এলপিসি নিতে গেলে তাদেরকে ১০০০,২০০০ টাকা সম্মানি দিতে হয়। এটা সবার ক্ষেত্রে।
আমরা একটি সরকারি অফিসের 40 জন এর সরকারি চাকরিতে প্রাপ্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের সাথে সংযুক্ত করতে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করলে সেই অফিসের কর্মকর্তা আমাদের প্রত্যেকের কাছে 5000 টাকা চায়। আমরা এই টাকা দিতে নারাজ হলে তারা হুমকি দেয় যে আপনাদের কারও ইনক্রিমেন্ট সংযুক্ত হবে না।
প্রশিক্ষনের বিল বাবদ অফিস থেকে ৪৫০০০০ টাকার বিল অধিদপ্তরের অফিস থেকে এজি অফিস স্ট্যাফের মাধ্যমে যায়।বিল দেবার জন্য নূন্যতম ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরিচিত দেখে কম রাখার দাবি করে। পরিশোধ করা মাত্র বিল পাশ হয়।
আঞ্চলিক হিসাব দপ্তর, ওয়েস্ট জন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রতিষ্ঠান এর বরিশালের প্রধান ম্যানেজার — টাকা ছাড়া কোন কোন ঠিকাদারের ফাইল ছারেনা।বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টিএ টিএ বিল ছুটি বিক্রি ও অফিসের বিভিন্ন নোটের জন্য তিনি টাকা আদায় করুন। সহায়তা করে হিসাবরক্ষক —, ও —। এই — অত্যাচার পুরা বরিশালের বিদ্যুৎ অফিস অতিষ্ঠ। তাদেরকে টাকা না দিলে ১৮ টি অফিসের সফল কাজ বন্ধ করে দেয়। মানুষের বেতন বেতাও বন্ধ করবে জানায়।
জিপির হিসাবে গড়মিল ছিল। এটি সমন্বয় করা ও সঠিক হিসাব মেলানো এর জন্য টাকা চাওয়া হয়েছিল। টাকা ছাড়া কোনো ভাবেই কাজ হবে না। না হয় আমাকে ঢাকা যাওয়ার জন্য বলা হয়েছিল।
5% ghus any Legal bill and amount
বিলের জন্য সরাসরি দাবি করেছে
বেতন ভাতা বিল ও চাকুরী সংক্রান্ত কোন কাজের জন্য তাদেরকে প্রকাশ্যে ঘুষ দিয়ে হয়। সারা বাংলাদেশ FC, AFC office
আমি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সার্জেন্ট পদে কর্মরত। ঢাকা বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের নিকটবর্তী কাফা অফিস থেকে আমাদের বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দুঃখজনক বিষয় হলো, সেখানে নিয়মিত দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্যও আমাদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করা হয়। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও হতাশাজনক। শুধু জুনিয়র সদস্যরাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তারাও একই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হন এবং কাজ সম্পন্ন করার জন্য অর্থ প্রদান করতে বাধ্য হন। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জানানো বা সমাধানের চেষ্টা করেও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনিয়মটি যেন একটি স্বাভাবিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে পরি
আমি একজন সামরিক বাহিনীর সদস্য, আমাদের স্বাভাবিক বদলি হলে আমরা এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় যোগদান করার পরে টিএ (ট্রাভেল এলাউন্স) ও ডিএ (ডেইলি এলাউন্স) সংশ্লিষ্ঠ এফ সি (ফাইনান্স কন্ট্রোল) এ চিঠি পাঠাই, সেইখানে দুরুর্ত, কত দিন , সকল নথি উপস্থাপন করা হয় । কিন্তু অডিটরগন ইচ্ছাকৃতভাবে সেই ফাইল আটকে রাখেন। পরবর্তীতে যোগাযোগ করা হলে তারা দাবীকৃত টিএ ডিএ এর ১০% ঘুষ দাবী করেন। যা ১০ হাজার থেকে শুরু করে যত টাকা দাবী করা হয়েছে তার উপর নির্ভর করে । আপনি সারা জীবন সরকারী চাকুরী করে সরকার থেকে যদি ২০ লক্ষ টাকা পেনশন পান , সেইখান থেকেও তারা ১-২ লক্ষ টাকা দাবী করবে । সরকারী ফিনান্স কন্ট্রোল বোর্ডের সকল অডিটর এই ঘুষ বানিজ্যের সাথে জড়িত , যা সকল সামরিক বাহিনীর অফিসার জানেন। কিন্তু আওয়াজ তোলার কেউ নেই ।
এফসি অফিসে যেকোনো টি এডি এ নিতে গেলে বিলের যে টাকা আসে তার ২০ শতাংশ ঘুষ দিতে হয় না দিলে বিল বছরের পর বছর ঝুলে থাকে, নিয়ম অনুযায়ী চলতে থাকে কখনোই পাওয়া যায় না।