17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতিবছরই আমার প্রাপ্য ভ্রমনভাতা উওোলনের জন্য দাবীকৃত টাকার ৫% এজি অফিসের অডিটর দাবী করেন। টাকা না দিলে বিল পাশ করেন না।
আমি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সার্জেন্ট পদে কর্মরত। ঢাকা বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের নিকটবর্তী কাফা অফিস থেকে আমাদের বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দুঃখজনক বিষয় হলো, সেখানে নিয়মিত দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্যও আমাদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা দাবি করা হয়। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও হতাশাজনক। শুধু জুনিয়র সদস্যরাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তারাও একই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হন এবং কাজ সম্পন্ন করার জন্য অর্থ প্রদান করতে বাধ্য হন। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জানানো বা সমাধানের চেষ্টা করেও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনিয়মটি যেন একটি স্বাভাবিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে পরি
আমি একজন সামরিক বাহিনীর সদস্য, আমাদের স্বাভাবিক বদলি হলে আমরা এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় যোগদান করার পরে টিএ (ট্রাভেল এলাউন্স) ও ডিএ (ডেইলি এলাউন্স) সংশ্লিষ্ঠ এফ সি (ফাইনান্স কন্ট্রোল) এ চিঠি পাঠাই, সেইখানে দুরুর্ত, কত দিন , সকল নথি উপস্থাপন করা হয় । কিন্তু অডিটরগন ইচ্ছাকৃতভাবে সেই ফাইল আটকে রাখেন। পরবর্তীতে যোগাযোগ করা হলে তারা দাবীকৃত টিএ ডিএ এর ১০% ঘুষ দাবী করেন। যা ১০ হাজার থেকে শুরু করে যত টাকা দাবী করা হয়েছে তার উপর নির্ভর করে । আপনি সারা জীবন সরকারী চাকুরী করে সরকার থেকে যদি ২০ লক্ষ টাকা পেনশন পান , সেইখান থেকেও তারা ১-২ লক্ষ টাকা দাবী করবে । সরকারী ফিনান্স কন্ট্রোল বোর্ডের সকল অডিটর এই ঘুষ বানিজ্যের সাথে জড়িত , যা সকল সামরিক বাহিনীর অফিসার জানেন। কিন্তু আওয়াজ তোলার কেউ নেই ।
টাকা না দিলে বিল পাস হচ্চে না, কাবিকা / টি আর
পেনশনের ঘুস দাবী করেন ৫০,০০০/- আমি পরিশোধ করি ৩০,০০০/-। আমার পেনশনের চেক ৫ দিন অফিস আটকিয়ে রাখেন পরিশোধ কম করায় আমার ঈদুল ফিতরের বোনাস এখন পর্যন্ত দেন নাই।
সরকারি চাকরির বদলি জনিতLPC একসেপ্ট করাতে টাকা লেগেছে।
Any settlement bill or arrear
আমি এক অফিস থেকে আরেকটি সরকারি অফিসে চাকুরী হওয়ার কারণে আইবাস+++ বাতিল, জিপিএফ ফান্ডের জমানো টাকা উত্তোলন, জিপিএফ বাতিল এবং পে-ফিক্সেশন করার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে।
ঢাকা এজি অফিসে জিপিএফ থেকে অগ্রীম উত্তোলনের জন্য ৫০০০ টাকা চেয়েছে। টাকা না দেওয়ায় চেক পাস করেনি।
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!
বকেয়া ইনক্রিমেন্ট পাবো কিন্তু টাকা ছাড়া দিবে না
ভোলা হিসাব রক্ষণ অফিসের — (অডিটর) । তিনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভোলা সদর উপজেলার সকলের বেতন, বোনাস, অবসর ভাতার কাজ করেন। প্রতিটি কাজে তাকে টাকা দিতে হয়। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকেন, যা আমি নিজ চোখে দেখেছি। প্রবীণ শিক্ষক গণ ভয়ে তার দাবি কৃত টাকা দিয়ে দেয়। সে খুব কৌশলে কাজ করে। কাজ সমাপ্ত হলে আড়ালে গিয়ে টাকা নেয়। আমার কাছে দাবি কৃত টাকা প্রত্যাখ্যান করলেও অন্য অন্য কাজে ৫০০ করে দিতে হয়েছে।
বিল পাশ করতে হলে ১০% -১৫ % না দিলে বিল পাশ হয়ে না
আবেদন দীর্ঘদিন ধরে প্রসেস না করে ফেলে রাখছিল। আমি যখন সরাসরি অফিসারের সাথে দেখা করি উনি সাইন করে দেন। ফাইলের জন্য যখন যাই অফিস সহকারি টাকা দাবি করে। দাবি অনুযায়ী টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বকেয়া বিল আটকে দে। এখন তিন মাস হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত বকেয়া পাই নাই।
মোট বিলের ৫% দিতে হয়
বাংলাদেশের সকল হিসাবরক্ষণ অফিসে ৫% হারে পরিশোধ করে বিল গ্রহণ করতে হয়। পেনশনের জন্য নির্ধারিত অংকের টাকা পরিশোধ না করলে পেনশন গ্রহণ করা যায় না।
আমার বাবা সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর আমার মায়ের চিকিৎসা ভাতা প্রসেস করার জন্য একাউন্টস অফিসে যাবতীয় কাগজপত্র জমা দিবার সাথে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। পরে যখন কাজ সম্পন্ন হয়েছে আবার ৬০০০ টাকা দিয়ে হয়েছে।
নতুন চাকরিতে আইবাসে বেতন এপ্রুভ করাতে
আমি ২০১৭ সালে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগাদান করি। ২০২৬ সালে এসে আমাদের জুনিয়র ও সিনিয়র কলিগরা চাকুরির পূর্বে মাস্টার্স ডিগ্রীর জন্য ১/২ টি করে ইনক্রিমেন্ট পায়। সেইটা ২০১৭ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৩ লক্ষ টাকা হয়। কাগজপত্র সব ঠিক। তবুও হিসাবরক্ষণ অফিস আমাদের ১১ জনের থেকে ৩% করে ঘুষ দাবি করে টাকা আটকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তাদের দাবিকৃত টাকা দিয়ে আমরা বিল হাতে পাই।
10 % হতে 15% হারে,নয়ত বিল পাস করতে তালবাহানা।কিছু বিল ফেরত দিয়েছে,নানাভাবে হয়রানি,টাকা না পাওয়া বিল ফেরত দিয়েছে।অথচ বিগত বছর টাকা পেয়ে যে ধরনের বিলগুলো পাস করেছে, এ বছর টাকা না দেওয়ার একই ধরনের বিলে পাস করে নাই।সরকারি অফিসের বিলে টাকা চায়,দু:খজনক।